Dev-Rupankar: 'হু ইজ দেব?' প্রশ্ন তুললেন রূপঙ্কর! দাদাগিরির মঞ্চে সাংসদের জবাবে মন গলল শানুদার
‘দিনের শেষে বাবা-মা এইটুকু জানে ছেলেটা খুব সৎ। চেষ্টা করে’, মানুষ দেবকে নিয়ে অকপট সুপারস্টার দেব।
একদিকে তিনি সুপারস্টার, অন্যদিকে জনপ্রতিনিধি। তাঁর ব্যস্ত শেডিউলে নয়া সংযোজন ‘দাদাগিরি’। সঞ্চালনার খুঁটিনাটিও এখন শিখছেন দেব। সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায়ের জুতোয় পা গলানো সহজ নয়, আগেই জানা ছিল। তবে নিজের তরফে একশো শতাংশ উজার করে দিচ্ছেন দেব।

দাদাগিরির আসন্ন এপিসোডের প্রচার ঝলক সামনে আসতেই দেবে মুগ্ধ সকলে। দেবের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কম কাটাছেঁড়া চলে না। শুভশ্রীর সঙ্গে তাঁর ব্রেকআপ হোক বা রুক্মিণীর সঙ্গে প্রেম, এখনও কেন বিয়ের পিড়িতে বসছেন না ৪৩-এর গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলা দেব, সেই নিয়েও প্রশ্নের শেষ নেই। তবে এই সবকিছুর বাইরে মানুষ দেব আসলে কেমন?
দাদাগিরির মঞ্চে দেবের সামনে সেই প্রশ্নেরই উত্তর চাইলেন রূপঙ্কর বাগচি। ‘হু ইজ কেকে ম্যান?’ এই একটা লাইনের জন্য কম মাশুল গোনেননি রূপঙ্কর। এদিন ফের তিনি বললেন. ‘হু ইজ দেব?’ তবে এবার প্রশ্ন সরাসরি দেবের সামনেই। দাদাগিরির আসন্ন এপিসোডে টক্কর জমবে বাংলা নামীদামী গায়কদের। স্পেশ্যাল গেস্ট হিসাবে উপস্থিত থাকবেন ‘মেলোডি কিং’ কুমার শানু। প্রতিযোগী হিসাবে অংশ নেবেন রূপঙ্কর বাগচি, রাঘব চট্টোপাধ্য়ায়, ইমন চক্রবর্তী এবং আকৃতি কক্কর।
প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, রূপঙ্কর দেবকে প্রশ্ন করছেন., ‘তুমি সুপারস্টার, তুমি প্রোডিউসার, তুমি হোস্ট করো। আবার তুমি জনপ্রতিনিধিও। কিন্তু এর বাইরে যখন রাতে বাড়ি ফেরো, হু ইজ দেব?’ রূপঙ্করের বাউন্সারের সপাট জবাব দিলেন নায়ক। দেব বললেন, ‘আমি এমন একজন যে স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে। ভাবে কালকের তুলনায় আজকে আরেকটু বেশি ভালো কাজ করব। দিনের শেষে বাবা-মা এইটুকু জানে ছেলেটা খুব সৎ। চেষ্টা করে। কিন্তু সব চেষ্টাই যে সফল হবে তা তো নয়।’
দেবের এই সরল উত্তর শুনে মুগ্ধ কুমার শানু। তিনি দেবকে বুকে টেনে নেন। বলেন,'এই জন্যই তোর মা পাটিতে রয়েছে'।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


