Pooja Bedi: ‘দরকার নেই…’, বাবার চারটে বিয়ে, লিভ ইন সঙ্গীকে বিয়ে করবেন না ডিভোর্সি পূজা বেদি! কেন?
‘বিয়ের নামে কেবল একটা কাগজে সই করার দরকার নেই…’, বিশ্বাস ডিভোর্সি, এক কন্যা সন্তানের মা পূজা বেদির।
এনগেজমেন্টের পর আট বছর কেটে গেলেও কেন বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন না? এই প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল অভিনেত্রী পূজা বেদিকে (Pooja Bedi) এবং তাঁর বাগদত্ত মানেক কন্ট্রাক্টর-কে। সম্প্রতি ভিকি লালওয়ানির সঙ্গে ইউটিউব চ্যানেলে এক খোলামেলা কথোপকথনে এই বিষয়ে নিজের ভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টভাবে শেয়ার করলেন পূজী বেদি।

তিনি জানান, সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক 'বিয়ে'র রূপ দেওয়ার আর কোনো প্রয়োজন তিনি অনুভব করছেন না।
‘কাগজে সই করে সরকারকে কেন জড়াব?’
বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানের প্রতি একসময় গভীর আস্থা থাকলেও, সময়ের সাথে সাথে তাঁর চিন্তাভাবনা বদলেছে বলে জানান ৫০ ঊর্ধ্ব এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘এনগেজমেন্ট মানেই তো একজন আপনার আঙুলে আংটি পরিয়ে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে সে আপনার সাথে জীবন কাটাতে চায়—প্রেমিক, সঙ্গী বা জীবনসঙ্গী হিসেবে। এই প্রতিশ্রুতির গভীরতাই যথেষ্ট! এরপর বিয়ের নামে কেবল একটা কাগজে সই করা আর নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্কে সরকারকে জড়ানো ছাড়া আর কিছুই হয় না।’
আর্থিক স্বাধীনতা ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ
পূজা জানান, তিনি এবং মানেক দু'জনেই অতীতে বিয়ের সম্পর্কের মধ্য দিয়ে গেছেন এবং তাঁদের দু'জনেরই পূর্ববর্তী বিবাহের সন্তান রয়েছে। আইনি বিয়ের ঝামেলা না থাকার সুফল ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, ‘আমার সম্পদ আমার সন্তানদের (আলাইয়া এফ ও ওমর) কাছে যাবে, আর ওর সম্পদ যাবে ওর সন্তানদের কাছে। এতে বিষয়গুলো খুব সহজ থাকে।’
আর্থিক নির্ভরতাহীনতা: 'আমিও উপার্জন করি, ও-ও করে। আমরা দু'জনেই স্বাধীন। নিরাপত্তার জন্য আমার ওকে প্রয়োজন নেই, আর আর্থিক সুরক্ষার জন্য ওর আমাকে প্রয়োজন নেই।'
পূজা স্পষ্ট করেন যে, তিনি নতুন করে কোনও 'চুক্তিতে' (Contract) আবদ্ধ হতে চান না। কারণ তিনি জীবনকে ইতিমধ্যেই সেই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে নিয়ে গেছেন। তবে তিনি মনে করেন অন্যদের অবশ্যই বিয়ে করা উচিত এবং এটি একটি সুন্দর অনুভূতি, কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে তাঁর আর এর প্রয়োজন নেই।
লাভ স্টোরি ও বাগদানের স্মৃতি
অভিনেতা কবির বেদি ও ওড়িশি নৃত্যশিল্পী প্রতিমা বেদির কন্যা পূজা বেদি ১৯৯৪ সালে ব্যবসায়ী ফারহান ফার্নিচারওয়ালাকে বিয়ে করেছিলেন এবং ২০০৩ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। পরবর্তীতে লরেন্স স্কুলের প্রাক্তন সিনিয়র মানেক কন্ট্রাক্টরের সাথে স্কুলের রিইউনিয়ানের মাধ্য়মে পুনরায় যোগাযোগ তৈরি হয় পূজার।
২০১৯ সালে অত্যন্ত ড্রামাটিক স্টাইলে হট-এয়ার বেলুনে ভেসে পূজাকে বিয়ের প্রস্তাব (Propose) দিয়েছিলেন মানেক। সেই মিষ্টি এনগেজমেন্টের ছবি তখন বেশ ভাইরাল হয়েছিল। তবে এনগেজমেন্ট থাকলেও, আইনি সিলমোহর ছাড়া স্বাধীন ও ভালোবাসার এই সহজ জীবনযাপনেই বর্তমানে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন এই তারকা দম্পতি।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


