Tishala Dutt: ‘নামী বাবার মেয়ে হলেই…’, বলিউডে আসতে চেয়েছিলেন সঞ্জয়ের মনোবিদ কন্যে, পিছু হটেন বাবার কথায়

সঞ্জয় দত্তের মেয়ে ত্রিশালা তার বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করার কথা ভেবেছিলেন, তবে অভিনয়ের প্রতি আগ্রহী ছিলেন বলে নয়। এই বিশেষ কারণে বলিউডে কেরিয়ার গড়তে চেয়েছিলন এই তারকা কন্যা।

Published on: May 2, 2026, 19:23:48 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সঞ্জয় দত্তর প্রথম পক্ষের কন্যা ত্রিশলা দত্ত। ১৯৮৮ সালে সঞ্জয় ও রিচা শর্মার কোলে জন্ম তাঁর। কিন্তু ১৯৯৬ সালে মারণ রোগ ব্রেন টিউমারে মায়ের মৃত্যুর পর থেকেই ত্রিশলার জীবন বদলে যায়। দাদু-দিদিমার কাছে আমেরিকাতেই বড় হয়েছেন তিনি। বলিউডের গ্ল্যামার থেকে হাজার মাইল দূরে থাকলেও, এক সময় ত্রিশলার মনে হয়েছিল মায়ানগরীতে পা রাখার কথা। তবে সেই ইচ্ছার পিছনে ছিল এক যন্ত্রণাময় সত্য।

‘নামী বাবার মেয়ে হলেই…’, বলিউডে আসতে চেয়েছিলেন সঞ্জয় কন্যা, পিছু হটেন বাবার কথায়
‘নামী বাবার মেয়ে হলেই…’, বলিউডে আসতে চেয়েছিলেন সঞ্জয় কন্যা, পিছু হটেন বাবার কথায়

সঞ্জয় দত্তর থেকে দূরে থাকার কষ্ট:

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে ত্রিশলা জানিয়েছেন, ছোটবেলায় যখন তিনি বলিউডে আসার কথা ভেবেছিলেন, তখন অভিনয় তাঁর ‘প্যাশন’ ছিল না। ত্রিশলার কথায়, “আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন বলিউডে যাওয়ার কথা ভেবেছিলাম ঠিকই। কিন্তু সেটা অভিনেত্রী হওয়ার জন্য নয়। আমি শুধু চেয়েছিলাম আমার বাবার (সঞ্জয় দত্ত) কাছাকাছি থাকতে, তাঁর সাথে বেশি সময় কাটাতে।” আমেরিকায় বড় হওয়ার কারণে বাবার সান্নিধ্য সেভাবে পাননি তিনি, আর সেই শূন্যতা থেকেই এই ভাবনা।

বাবার পরামর্শ ও বাস্তবের মুখোমুখি:

ত্রিশলার এই ইচ্ছার কথা শুনে সঞ্জয় দত্ত তাঁকে বাস্তবের মাটিতে নামিয়ে আনেন। সঞ্জয় নিজে জীবনের অনেক চড়াই-উতরাই দেখেছেন। তিনি মেয়েকে সোজাসুজি প্রশ্ন করেন, ‘অভিনয় কি সত্যিই তোমার ভেতর থেকে আসছে? তোমার মনের টান কি ওদিকেই?’ ত্রিশলা যখন জানান তিনি শুধু বাবার সাথে থাকতে চান, তখন সঞ্জয় তাঁকে বোঝান যে স্রেফ কারোর মেয়ে হলেই ‘এ-লিস্ট’ অভিনেত্রী হওয়া যায় না। তিনি ত্রিশলাকে পরামর্শ দেন নিজের ভালো লাগার বিষয়টি খুঁজে বের করতে।

মনোবিদ হওয়ার নেপথ্য কাহিনী:

নিজের জীবনের মানসিক টানাপোড়েন এবং স্ট্রাগল থেকেই ত্রিশলা ঠিক করেন তিনি মনোবিদ (Psychiatrist) হবেন। ত্রিশলা বলেন, “আমি থেরাপিস্ট হয়েছি মানুষকে এটা বোঝাতে যে লড়াই করাটা স্বাভাবিক। বলিউড পরিবার থেকে আসায় আমি দেখেছি সেখানে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কেউ কথা বলে না। আমি মানুষকে বোঝাতে চেয়েছি যে গ্ল্যামার জগতের আড়ালেও আমরা রক্তমাংসের মানুষ, আমাদেরও কষ্ট হয়।”

বর্তমানে আমেরিকার এক সফল থেরাপিস্ট হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ত্রিশলা। তিনি আজ মনে করেন, বাবার পরামর্শ মেনে বলিউডের চাকচিক্যে গা না ভাসিয়ে নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করাটাই ছিল তাঁর জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More