মুম্বইয়ে ছিলেন, তাও কেন আশা ভোঁসলের শেষকৃত্যে এলেন না সলমন-শাহরুখ? চটল ভক্তরা
আশা ভোঁসলের শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন না সলমন খান ও শাহরুখ খান। এখন এর পেছনের একটি কারণ সামনে এসেছে। সে সময় দু'জনেই মুম্বইয়ে ছিলেন। কিন্তু বিশেষ কারণে আসেননি শ্মশানে।
আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে চলচ্চিত্র জগৎ শোকাহত। দেশ-বিদেশের শিল্পীরা এই গায়িকাকে স্মরণ করেছেন এবং শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আশা ভোঁসলের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। মহারাষ্ট্র পুলিশ এই কিংবদন্তী গায়িকাকে গার্ড অফ অনার প্রদান করে। সঙ্গীত ও চলচ্চিত্র জগতের বহু শিল্পী তাঁদের 'আশা তাই'-কে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বলিউড অভিনেতা রণবীর সিংও উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু সলমন খান এবং শহরুখ খানের অনুপস্থিত নজর এড়ায়নি কারও। যা নিয়ে নেটমাধ্যমে প্রবল সমালোচনাও হয়। এবার জানা গেল কারণ।

শাহরুখ খান এবং সলমন খান কেন উপস্থিত ছিলেন না?
ডেকান ক্রনিকলের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, আশা ভোঁসলের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় সলমন খান এবং শহরুখ খান মুম্বাইয়েই ছিলেন। তবে, নিরাপত্তাজনিত কারণে তাঁরা উপস্থিত হননি। এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি যদিও। তবে, প্রতিবেদনে তাঁদের অনুপস্থিতির কারণ হিসেবে ভিড় ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

শাহরুখ খান ও সলমন খানের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট
আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে সলমন ও শাহরুখ শ্মশানে না এলেও, তাঁরা নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করেছেন। কিংবদন্তী এই গায়িকার জন্য শাহরুখ খান লিখেছেন, ‘এটা খুবই দুঃখের যে আশা তাই চলে গেছেন। তাঁর কণ্ঠ ভারতীয় সিনেমার একটি স্তম্ভ ছিল এবং আগামী প্রজন্ম পর্যন্ত গোটা বিশ্বে তাঁর ছাপ রেখে যাবে।’
আর সলমন খান লিখেছেন, ‘এটি ভারতীয় সঙ্গীতের জন্য একটি বিশাল ক্ষতি। আশাজির কথা শুনে আমি মর্মাহত। এক অপূরণীয় কণ্ঠ, আপনার গান আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।’
রাষ্ট্রীয় সম্মানে আশা ভোঁসলেকে বিদায়
আশা ভোঁসলে ১২ এপ্রিল রবিবার মারা যান। তাঁর মৃত্যুর কারণ হিসেবে মাল্টি অর্গ্যান ফেলইওরের কথা জানানো হয়েছে। আশা ভোঁসলের ছেলে আনন্দ ভোঁসলে তাঁর মায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে এই গায়িকাকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। এই অনুষ্ঠানে সঙ্গীত জগতের অনেক শিল্পী উপস্থিত ছিলেন। আশা ভোঁসলের সঙ্গে কাজ করা শিল্পীরাও তাঁকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছিলেন। শান ও সুদেশ ভোঁসলে তাঁকে বিদায় জানাতে একটি গান গেয়েছিলেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


