‘আমি আর রুবেল আসলে…’! অগস্টে শেষ ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’, বিয়ের পর কেন কাজে ফিরছেন না শ্বেতা?
সেই অগস্ট মাসে শেষ হয়েছে কোন গোপনে মন ভেসেছে ধারাবাহিক। তারপর থেকে অনেকদিন ছোট পর্দা থেকে দূরে। শ্বেতার দাবি, ইচ্ছাকৃত এই লম্বা বিরতি। কী কারণ দেখালেন রুবেলের বউ?
নবচিত্র ক্রিয়েশন প্রোডাকশন্স-এর নিবেদনে মহালয়া 'জাগো মা মহিষাসুরমর্দ্দিনী'-তে দুর্গার চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্যকে। দীর্ঘদিন ধরে ছোট পর্দা থেকে দূরে। শেষ কাজ ছিল ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’, যা শেষ হয় ২০২৫ সালের অগস্ট মাসে। তারপর লম্বা বিরতি। এদিকে শ্বেতার না আসা নিয়ে নানান খবর টলিপাড়ায়। মাজে রটে যায়, শ্বেতা আর রুবেল নাকি সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। যদিও শ্বেতার দাবি, ইচ্ছাকৃত এই লম্বা বিরতি। বিয়ের পর থেকে কাজের ব্যস্ততায় সেভাবে সময়ই কাটাতে পারেননি তিনি ও রুবেল। সঙ্গে এতগুলো কাজ করার পর, একটু বেছে কাজ নেওয়ার ইচ্ছে।

'জাগো মা মহিষাসুরমর্দ্দিনী'-র শ্যুটের ফাঁকে আম অর্পিতা চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্বেতা বলেন, ‘আমার তো ৯টা সিরিয়াল হয়ে গিয়েছে। ১৬ বছর কেটে গিয়েছে। এটা ১০ নম্বর সিরিয়াল হবে। আমি বিয়ের পর ছুটিও পাইনি। আমার প্রোজেক্ট শেষ হয়েছে অগস্টে। রুবেলের শেষ হোয়ার কথা ছিল নভেম্বর-ডিসেম্বরে। তারপর এক্সটেনশন পেয়ে পেয়ে সেটা হল ফেব্রুয়ারিতে। আমাদের কথা ছিল ওর ধারাবাহিক শেষ হলে দুজন মিলে ঘুরতে যাব। ওই নামেই হানিমুন। যেহেতু ১ বছর হয়ে গেছে ঘুরতে যাওয়া হয়নি। তারপর একেবারে সোনার সংসার মিটিয়ে বেরলাম।’
‘হ্যাঁ সিরিয়ালে সেভাবে গল্প বাছা যায় না। পরবর্তীতে গল্প বদলাতে থাকে। তাও কিছু না কিছু ক্রাইটেরিয়া তো থাকেই। এমন কিছু যা আগে অভিনয় করিনি। দেখা যাক কী হয়। সবটাই উপরওয়ালার হাতে।’, আরও বলেন শ্বেতা।
মার্চে হিমাচলে হানিমুনে যান তিনি ও রুবেল। যদিও বিয়ের প্রথম বছরের বিবাহবার্ষিকী কলকাতাতেই কাটিয়ে পাহাড়ে ঘুরতে যান দুজনে। যমুনা ঢাকি ধারাবাহিকে কাজের সময় রুবেল ও শ্বেতা একে-অপরের প্রেমে পড়েন। তারপর ছর পাঁচেক প্রেম করার পর বাঁধেন গাঁটছড়া। ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি দুই পরিবার, বন্ধুদের উপস্থিতিতে চার হাত এক হয়।
১৯৯২ সালে জন্ম শ্বেতার। সিন্দুরখেলা, জয় কানহাইয়া লাল কি এবং জারোয়ার ঝুমকো, যমুনা ঢাকি-র মতো ধারাবাহিকে দেখা গিয়েছে শ্বেতাকে। ছোটপর্দার পাশাপাশি তিনি বড়পর্দায় সুপারস্টার দেবের বিপরীতে 'প্রজাপতি' সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। শেষ কাজ ছিল রণজয় বিষ্ণুর বিপরীতে কোন গোপনে মন ভেসেছে ধারাবাহিক।
অন্য দিকে, রুবেলের কেরিয়ার মূলত শুরু হয়েছিল নৃত্যশিল্পী হিসেবে। একটি নাচের রিয়ালিটি শোর মাধ্যমে প্রথম লাইমলাইটে আসেন। ২০১৬ সালের সিনেমা ‘বেপরোয়া’র মাধ্যমে কেরিয়ার শুরু। যদিও সাফল্য আসে ছোট পর্দাতেই। ভানু মতির খেল, বাঘ বন্দি খেলা, যমুনা ঢাকি, নিম ফুলের মধু, তুই আমার হিরো-তে দেখা গিয়েছে রুবেলকে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


