‘১৪ বছরের লড়াইয়ের সেরা স্বীকৃতি’, আর্টিকেল ৩৭০-এর জন্য জাতীয় পুরস্কারে সেরা অভিনেত্রী ইয়ামি, আবেগে ভাসলেন বর আদিত্য
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে সম্মান গ্রহণের সময় ইয়ামি গৌতমকে কালো শাড়িতে মোহময়ী দেখাচ্ছিল। বউয়ের জন্য গলা ফাটালেন আদিত্য় ধর।
৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মঞ্চে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় পুরস্কার ছিনিয়ে নিলেন বলিউড অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম (Yami Gautam)! বিতর্কিত অথচ আলোচিত সিনেমা আর্টিকেল ৩৭০-এ 'জুনি হাকসার' চরিত্রে অনবদ্য পারফর্মেন্সের জন্য দেশের এই সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মানে ভূষিত হলেন তিনি।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর গুজরাটের একতা নগরে (কেভাডিয়া) আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন যামী। পরনে সোনালী কাজের কালো শাড়ি— লাল গালিচায় যামীর রাজকীয় উপস্থিতি নজর কেড়েছে সবার। দিল্লির বাইরে প্রথমবার আয়োজিত জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে এটিই ইয়ামির ক্যারিয়ারের প্রথম জাতীয় পুরস্কার!
‘১৪ বছরের লড়াইয়ের সেরা স্বীকৃতি!’
জাতীয় পুরস্কার হাতে পাওয়ার পর আবেগঘন সোশাল মিডিয়া পোস্টে ইয়ামি লেখেন, 'প্রতিটি যাত্রায় এমন একটা মুহূর্ত আসে, যা আপনাকে মনে করিয়ে দেয় কেন আপনি কখনো হাল ছাড়েননি। আজ আমার কাছে ঠিক তেমনই একটি মুহূর্ত। 'Article 370'-এর জন্য জাতীয় পুরস্কার পাওয়া এমন এক সম্মান, যা আমি সারাজীবন আগলে রাখব।'
নিজের দীর্ঘ ১৪ বছরের জার্নির কথা স্মরণ করে তিনি আরও লেখেন, ‘১৪ বছর ধরে আমি শুধুই নিজের কাজের প্রতি সৎ থাকার চেষ্টা করেছি। এই সম্মান যেন আশা, ধৈর্য এবং সিনেমার প্রতি ভালোবাসার এক সুন্দর পরিণাম। Article 370 শুধুই একটা সিনেমা ছিল না, এটা এমন এক গল্প যা আমি মন থেকে বিশ্বাস করেছিলাম। আর আমাদের নিজস্ব হোম প্রোডাকশনের ছবি হওয়ায় এই জয় আরও বেশি আবেগঘন।’
'Article 370'-এর ডাবল ধামাকা:
শুধু ইয়ামি গৌতমের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারই নয়, আদিত্য সুহাস জাম্বালে পরিচালিত এই পলিটিক্যাল থ্রিলার ছবিটি ৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে 'সেরা ফিচার ছবি' (Best Feature Film)-র খেতাবও নিজের নামে করেছে! স্বামী আদিত্য ধরের প্রোডাকশন হাউসের এই ছবির জোড়া জয় এখন বি-টাউনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


