Yami Gautam: 'আর্টিকেল ৩৭০'-এর জন্য জাতীয় পুরস্কার! ইয়ামি লিখলেন, ‘স্বপ্ন সত্যি হয়, যদি হাল না ছাড়ো’

৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে **'আর্টিকেল ৩৭০' ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর সম্মান জিতে আবেগে ভাসলেন ইয়ামি গৌতম। ১৪ বছরের অভিনয়জীবনের এই স্বীকৃতিকে তিনি শুধু একটি পুরস্কার নয়, বরং অধ্যবসা, আত্মবিশ্বাস এবং কঠোর পরিশ্রমের দীর্ঘ পথচলার স্বীকৃতি বলে উল্লেখ করেছেন।

Published on: Jul 19, 2026, 08:30:50 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ‘আর্টিকেল ৩৭০’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর সম্মান অর্জনের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন বার্তা শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম। পাশাপাশি, ছবিটিও এ বছরের জাতীয় পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ ফিচার ফিল্ম হিসেবে সম্মানিত হয়েছে, ফলে গোটা টিমের জন্য এই সাফল্য হয়ে উঠেছে দ্বিগুণ আনন্দের।

ইয়ামি গৌতম।
ইয়ামি গৌতম।

নিজের পোস্টের শুরুতেই ইয়ামি লেখেন, 'প্রতিটি যাত্রাপথেই এমন একটি মুহূর্ত আসে, যা আপনাকে মনে করিয়ে দেয় কেন আপনি কখনও হাল ছাড়েননি। আজ আমার জন্য সেই মুহূর্ত। আর্টিকেল ৩৭০-এর জন্য জাতীয় পুরস্কার পাওয়া এমন এক সম্মান, যা আমি সারাজীবন লালন করব।'

অভিনেত্রীর কথায়, গত ১৪ বছরে তিনি কখনও স্বীকৃতির পিছনে ছুটে বেড়াননি। বরং নিজের কাজ, সততা এবং অভিনয়কেই কথা বলতে দিয়েছেন। তাঁর মতে, এই পুরস্কার আশা, অধ্যবসায়, ধৈর্য এবং সিনেমার প্রতি অটুট ভালোবাসার দীর্ঘ যাত্রার স্বীকৃতি।

ইয়ামি আরও জানান, ‘আর্টিকেল ৩৭০’ তাঁর কাছে শুধুই আর পাঁচটা সিনেমা নয়। গোয়েন্দা কর্মকর্তা জুনি হাকসারের চরিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি, এটি তাঁর নিজের প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে নির্মিত হওয়ায় ছবিটির সঙ্গে তাঁর আবেগের যোগ আরও গভীর। তিনি লেখেন, ‘তিটি চ্যালেঞ্জ, প্রতিটি আলোচনা এবং সেটের প্রতিটি দিনের উদ্দেশ্য ছিল একটাই—সততা ও দৃঢ়তার সঙ্গে এই গল্পটি বলা।’

আদিত্য সুহাস জাম্ভালে পরিচালিত ছবিটি প্রযোজনা করেছেন জ্যোতি দেশপান্ডে, আদিত্য ধর এবং লোকেশ ধর। জাতীয় পুরস্কারে ছবির সাফল্যের জন্য পরিচালক, কলাকুশলী, প্রযুক্তিবিদ এবং দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইয়ামি। তাঁর কথায়, দর্শকদের ভালোবাসাই প্রমাণ করেছে যে অর্থবহ গল্প সবসময় মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়। এছাড়াও পরিবারের সদস্য, সহকর্মী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, কঠিন সময়েও তাঁদের বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে চলার শক্তি জুগিয়েছে।

পোস্টের শেষে ইয়ামি স্পষ্ট করে দেন, এই জাতীয় পুরস্কার তাঁর কাছে কোনো যাত্রার শেষ নয়, বরং নতুন দায়িত্বের শুরু। তিনি লেখেন, ‘এই পুরস্কার কোনো স্বপ্নের সমাপ্তি নয়, বরং আরও সাহসী গল্প বলার এবং নিজেকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বের সূচনা।’ সবশেষে সাফল্যের অপেক্ষায় থাকা স্বপ্নবাজদের উদ্দেশে তিনি বার্তা দেন, ‘স্বপ্ন সত্যি হয়, যদি ইচ্ছাশক্তি কখনও হার না মানে। বিশ্বাস কখনও হারিয়ো না।’

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More