মুসলিম জামাই পছন্দ হয়নি TMC সাংসদ শক্রঘ্নর? শ্বশুরের পা ছুঁয়ে প্রণাম জাহিরের, ভাইরাল ভিডিও

বাবা-মা ও বরের সঙ্গে ডিনার ডেটে সোনাক্ষী। নজর কাড়ল শ্বশুর-জামাইয়ের মিষ্টি মুহূর্ত। 

Published on: Jun 30, 2026, 17:00:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

২০২৪ সালে যখন বলিউডের ‘দাবাং’ গার্ল সোনাক্ষী সিনহা ও অভিনেতা জাহির ইকবাল আইনি বিয়ে সারেন, তখন তাঁদের ভিনধর্মী বিয়ে নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন ছিল যে, মেয়ের এই সিদ্ধান্তে একেবারেই খুশি নন বর্ষীয়ান অভিনেতা তথা সোনাক্ষীর বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা। এমনকি সোনাক্ষীর দুই ভাই লভ ও কুশও এই বিয়েতে সম্মতি দেননি, বিয়ের আসরেও হাজির হননি তাঁরা। শক্রঘ্ন ও তাঁর স্ত্রী বিয়েতে হাজির থাকলেও খুব বেশি উচ্ছ্বাস নজরে আসেনি।

মুসলিম জামাই পছন্দ হয়নি শক্রঘ্নর? শ্বশুরের পা ছুঁয়ে প্রণাম জাহিরের, ভাইরাল ভিডিও
মুসলিম জামাই পছন্দ হয়নি শক্রঘ্নর? শ্বশুরের পা ছুঁয়ে প্রণাম জাহিরের, ভাইরাল ভিডিও

এবার বিয়ের দু’বছর পর জামাই ও শ্বশুরের এক অত্যন্ত মিষ্টি ও পারিবারিক মুহূর্তের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই ফের লাইমলাইটে এই তারকা জুটি। শত্রুঘ্ন সিনহার পা ছুঁয়ে জাহিরের প্রণাম করার এই দৃশ্য দেখে নেটপাড়া বলছে, ‘অবশেষে জামাইকে মেনে নিলেন খামোশ স্টার!’

সিঁড়ি দিয়ে নামতে সাহায্য, শেষে পা ছুঁয়ে প্রণাম— মন কাড়ল জাহিরের ব্যবহার

সম্প্রতি মুম্বাইয়ের এক অভিজাত রেস্তোরাঁয় সপরিবারে ডিনার ডেটে গিয়েছিলেন সোনাক্ষী ও জাহির। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সোনাক্ষীর বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা, মা পুনম সিনহা এবং জাহিরের বাবা ইকবাল রতনসি ও ওঁর পরিবারের বাকি সদস্যরা।

ডিনার শেষে রেস্তোরাঁ থেকে বেরোনোর সময় পাপারাৎজিদের ক্যামেরায় বন্দি হয় এক চমৎকার মুহূর্ত। দেখা যায়, বয়সের কারণে শত্রুঘ্ন সিনহার সিঁড়ি দিয়ে নামতে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছিল। তখনই জামাই জাহির অত্যন্ত যত্ন সহকারে শ্বশুরের হাত ধরে তাঁকে সিঁড়ি দিয়ে নামতে সাহায্য করেন। শত্রুঘ্নও পরম স্নেহে জাহিরকে জড়িয়ে ধরে ক্যামেরার সামনে পোজ দেন। এরপর গাড়ি পর্যন্ত শ্বশুর-শাশুড়িকে এগিয়ে দিয়ে তাঁদের পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নেন জাহির। দুই বেয়াইকেও একে অপরের সাথে হাসিমুখে কোলাকুলি করতে দেখা যায়।

ভিডিওটি ভাইরাল হতেই এক অনুরাগী মন্তব্য করেন, ‘অবশেষে ফাদার সাহেব মান গ্যায়ে (বাবা মেনে নিলেন)! পরিবারকে একসাথে দেখে খুব ভালো লাগছে।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘সোনার জীবনের দুই আসল হিরো।’

ক্যামেরার বাড়াবাড়িতে মেজাজ হারালেন সোনাক্ষী

পরিবারের এই মিষ্টি মুহূর্তের মাঝেই পাপারাৎজিদের ওপর কিছুটা বিরক্ত হতে দেখা যায় সোনাক্ষীকে। শুরুতে হাসিমুখে পোজ দিলেও, গাড়ি পর্যন্ত ক্যামেরা অবিরাম পিছু ধাওয়া করায় ধৈর্য হারান অভিনেত্রী।

হাত জোড় করে ফটোগ্রাফারদের উদ্দেশ্যে সোনাক্ষী বলেন, ‘ব্যাস গাইস, থ্যাঙ্ক ইউ। গুড নাইট!’ কিন্তু তারপরেও রেকর্ডিং বন্ধ না হওয়ায় কিছুটা কড়া সুরে তিনি বলেন, ‘অনেক হয়েছে। এবার থামুন’।

ছেলেদের অনুপস্থিতি ও সোনাক্ষীর পাশে থাকা নিয়ে যা বলেছিলেন শত্রুঘ্ন

বিয়ের পর এক পুরনো সাক্ষাৎকারে সোনাক্ষীর দুই ভাই লভ-কুশের বিয়েতে না আসা প্রসঙ্গে শত্রুঘ্ন সিনহা অত্যন্ত পরিণত মানসিকতার পরিচয় দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি ওদের ওপর কোনও ক্ষোভ রাখব না। ওরাও তো মানুষ। হয়তো এখনও ততটা পরিণত হতে পারেনি। আমি ওদের ভেতরের কষ্ট আর দ্বিধাদ্বন্দ্বটা বুঝতে পারছি। ভিন্ন সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এমন প্রতিক্রিয়া হওয়া স্বাভাবিক। আমি ওদের বয়সে হলে হয়তো ঠিক এমনই রিয়্যাক্ট করতাম। কিন্তু এখানেই বড়দের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হয়। তাই আমার প্রতিক্রিয়া ছেলেদের মতো চরম ছিল না।’

মেয়ের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়ে শত্রুঘ্ন বলেছিলেন, ‘আমরা মুখে এত নারী ক্ষমতায়নের কথা বলি, তাহলে সোনাক্ষী নিজের জীবনসঙ্গী বেছে নিলে সেটা ভুল কীভাবে হতে পারে? ও তো কোনও বেআইনি কাজ করেনি। ও যথেষ্ট প্রাপ্তবয়স্ক। বাবা হিসেবে ওর পাশে থাকা আমার কর্তব্য ছিল এবং আমি আজীবন ওর পাশেই থাকব।’

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More