SaReGaMaPa: সারেগামাপা-র ট্রফি জিতেছে উত্তরবঙ্গের আয়ুষ? ‘সামনে আরও বড়ো লড়াই…’, ফিনালে সম্প্রচারের আগে বলছেন গীতশ্রী
SaReGaMaPa Grand Finale: ২৮ শে জুন জি বাংলার পর্দায় সম্প্রচারিত হবে সারেগামাপা-র গ্র্যান্ড ফিনালে, যদিও শ্যুটিং পর্ব শেষ হয়েছে গত সপ্তাহে। একাধিক সূত্রের দাবি, চলতিবার ট্রফি উঠেছে ইসলামপুরের ছেলে আয়ুষের হাতেই।
জি বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় সঙ্গীত রিয়্যালিটি শো ‘সারেগামাপা ২০২৬’ (Sa Re Ga Ma Pa)এর গ্র্য়ান্ড ফিনালের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। গত সপ্তাহেই শেষ হয়েছে এই মেগা মিউজিক্যাল শো-এর গ্র্যান্ড ফিনালের রুদ্ধশ্বাস শ্যুটিং। আগামী ২৮শে জুন (২০২৬) রবিবার জি বাংলার পর্দায় সম্প্রচারিত হতে চলেছে এই জমকালো ফিনালে পর্ব।

গত সপ্তাহে সেমি-ফাইনালের কঠিন লড়াইয়ে বাদ পড়েছেন জনপ্রিয় প্রতিযোগী প্রমি গিরি। এরপরই ট্রফির ফাইনাল লড়াইয়ে নিজের জায়গা পাকা করে নিয়েছে সেরা ৫ প্রতিযোগী, আয়ুষ গুপ্তা, গীতশ্রী চৌধুরী, সায়ন্তনী সিং, সৃজন পোড়েল এবং বিশ্বপ্রিয় চক্রবর্তী। আর এই পাঁচ জনের মধ্যে যিনি শুরু থেকেই দর্শকদের মন জয় করে ট্রফির অন্যতম প্রধান দাবিদার হয়ে উঠেছেন, তিনি হলেন গীতশ্রী (Geetashree)। ফিনালের সম্প্রচারের আগেই ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট করে নিজের দীর্ঘ সফরের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন তিনি। তবে তাঁর এই পোস্টের নিচে কমেন্ট সেকশনে উপচে পড়ছে ভক্তদের একরাশ হতাশা ও মন খারাপের বার্তা!
ফিনালের আগেই চ্যাম্পিয়নের নাম ফাঁস? নেটপাড়ায় তীব্র জল্পনা
টেলিভিশনে গ্র্যান্ড ফিনালের পর্বটি সম্প্রচার হতে এখনও কয়েক দিন বাকি থাকলেও, সোশ্যাল মিডিয়ার একাধিক অসমর্থিত ও ভেতরের সূত্র দাবি করছে যে, চলতি সিজনে সারেগামাপা-র চ্যাম্পিয়নের ট্রফি উঠেছে তরুণ প্রতিযোগী আয়ুষ (Ayush)-এর মাথায়! আর দর্শকদের প্রিয় গীতশ্রীকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে ‘ফার্স্ট রানার আপ’ (First Runner-Up) হয়েই।
এই খবর নেটপাড়ায় চাউর হতেই ক্ষোভে ও হতাশায় ফেটে পড়েছেন গীতশ্রীর অনুরাগীরা। তাঁদের মতে, গীতশ্রীই এই মরশুমের সেরা গায়িকা এবং ট্রফিটা তাঁরই পাওয়া উচিত ছিল।
‘ভগবান আমাকে লক্ষ্যের দোরগোড়ায় এনেছেন’— গীতশ্রীর আবেগঘন পোস্ট
নিজের ট্রফি জেতা বা হারার গুঞ্জন নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য না করলেও, ফেসবুকের দেওয়ালে একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও মন ছোঁয়া পোস্ট করেছেন গীতশ্রী। ভক্তদের অগাধ ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি লেখেন: ‘একটা লম্বা পথ, যেখানে আপনাদের অগাধ ভালোবাসা এবং আশীর্বাদে প্রায় চূড়ান্ত লক্ষ্যের দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছি... প্রথম থেকে আপনারা ঠিক যে স্থানে দেখতে চেয়েছিলেন ঈশ্বর আমায় আজ সেখানে এনে দাঁড় করিয়েছেন... সামনে আরও বড়ো লড়াই... তবে আমার আর কিচ্ছু চাইবার নেই, আপনারা শুধু এইভাবে পাশে থাকলেই হবে... প্রচুর শুভেচ্ছাবার্তা এসেছে, আসছে গতকাল থেকে, কাউকেই আলাদা আলাদা করে উত্তর দেওয়া হয়নি, এই পোস্ট সকলের জন্যে। সকলকে আমার প্রণাম ভালোবাসা... দেখতে ভুলবেন না জী বাংলা সানরাইজ সারেগামাপা এর গ্র্যান্ড ফিনালে।’
ফেসবুকে ভক্তদের হতাশার ছায়া
গীতশ্রীর এই শান্ত এবং পরিপক্ব পোস্টটি দেখার পর অনুরাগীদের মন আরও বেশি আকুল হয়ে উঠেছে। অনেকেই কমেন্ট সেকশনে লিখেছেন, ‘তুমি ট্রফি পাও আর না পাও গীতশ্রী, আমাদের কাছে তুমিই আসল বিজয়ী।’ অন্য এক ভক্ত লিখেছেন, ‘শুনলাম আয়ুষ ফার্স্ট হয়েছে, খবরটা সত্যি হলে খুব খারাপ লাগবে। সারেগামাপা-র বিচারকদের বিচার নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠবে।’
উত্তরবঙ্গের ইসলামপুরের ছেলে আয়ুষের কণ্ঠে শুরু থেকেই বুঁদ বিচারকরা। ইতিমধ্যেই জি বাংলার অন্নপূর্ণার লক্ষ্মরীর রোম্যান্টিক গান গেয়ে সাড়া ফেলেছেন আয়ুষ। নেটপাড়ার একটা বড় অংশের হট ফেভারিট তিনি।
তবে ট্রফি কার ঘরে গেল, আর কে রানার আপ হলেন— সেই আসল সত্যতা জানতে আগামী ২৮শে জুন রাতের ফিনালে এপিসোডের দিকেই চোখ রাখতে হবে আপামর সঙ্গীতপ্রেমী দর্শকদের।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


