Serial Update: বনলতার মিথ্যা প্রেগন্যান্সির পর্দা ফাঁস কনে দেখা আলো-য়, তাড়িয়ে দিল অনুভব! এবার কি লাজুর সঙ্গে হবে মিল?
Zee Bangla's Kone Dekha Alo: কনে দেখা আলো-র নতুন প্রোমো আসতেই বেশ খুশি লাজু-অনুভব জুটির ভক্তরা। কারণ অনুভব বাড়ির সকলের সামনে ফাঁস করে দিল বনলতা-র মিথ্যে প্রেগন্যান্সির নাটক। তবে কি এবার লাজু আর অনুভববের মাখোমাখো প্রেম দেখার সুযোগ পাবে দর্শক?
বিগত কয়েকদিন ধরে টানটান চলছে জি বাংলার ধারাবাহিক কনে দেখা আলো। বনলতা নিজের জানপ্রাণ লড়িয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছে লাজু আর অনুভবকে দূরে রাখতে। এমনকী সেই কারণে নিজের মিথ্যে প্রেগন্যান্সির নাটকও করে সে। তবে সমস্ত ষড়যন্ত্র থেকে অবশেষে হয়েই গেল পর্দা ফাঁস। এবার কি তাহলে মিল হবে অনুভব আর লাজুর?

রথযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ যে পর্ব আসতে চলেছে সেখানেই দেখা যাবে বনলতার মিথ্যে নাটক বাড়ির সকলের সামনে নিয়ে আসে অনুভব। বাড়ির সকলকে বসার ঘরে জড়ো করে অনুভব। বলে ওঠে, ‘আমাদের সন্তানকে নিয়ে আমার কিছু সিক্রেট ফাঁস করার আছে’! অনুভববের মুখে এই কথা শুনে ভয় ও বিষ্ময় ফুটে ওটে বনলতার মুখে। লাজু অবশ্য আগেই আন্দাজ করেছিল সন্তানসম্ভবা নয় বনলতা।
এরপরই রিমোট দিয়ে টিভি অন করে, পর্দায় ফুটে ওঠে বনলতা আর গাইনোকলজিস্টের মধ্যে হওয়া কথা। যেখানে বনলতা স্বীকার করে নিচ্ছে যে, ‘আমি প্রেগন্যান্ট নই’। এমনকী, এটাও জানায় যে বেবিবাম্পও মিথ্যে। এরপরই বনলতার সামনে এসে লাজু বলে ওঠে, ‘এই জন্যই তুমি কোনোদিন আমায় চেকআপ করতে দাওনি।’
যদিও বনলতা তারপরেও যুক্তি দেয়, ‘আমি যা করেছি আমার সংসার বাঁচাতে চলেছি’। তবে এবার আর লাজু হার মানে না বনলতার কাছে। বলে ওঠে, ‘তোমার সংসার তুমি কোনোদিন গড়তেই পারনি’। অনুভবও জানিয়ে দেয়, ‘একজন অপরাধীর সঙ্গে সংসার করা যায় না। আমার জীবন থেকে বেরিয়ে যাও বনলতা।’
আর কনে দেখা আলো-র এই নতুন প্রোমো দেখে উত্তেজিত নেটপাড়া। যদিও তাঁদের মনে ভয় এবারও বুঝি নিজের শয়তানি দিয়ে ফের বুঝি বনলতা দূরে করে দেয় অনুভব আর লাজুকে। এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘প্রমো দেখে আনন্দিত হওয়ার ইচ্ছা থাকলেও উপায় নেই, কারণ এর আগেও বনলতার অনেকবার পর্দা ফাঁস হয়েছে কিন্তু তার কোন উপযুক্ত শাস্তি আজ পর্যন্ত হয়নি। বরং সে গল্পে আরো জাঁকিয়ে বসেছে। এবার অবশ্যই বনলতা আর অনুভবের ডিভোর্স ট্র্যাকটা দেখান, তাহলে অহেতুক পরকীয়ার ট্যাগটা সরবে।’
কনে দেখা আলো-র গল্পে দেখা যায় গ্রামের সিধেসাধা লাজুর সঙ্গে বিয়ে হয় সুদেবের। আর একইসময়ে বিয়ে হয় অনুভব ও বনলতার। এদিকে বিয়ের সময়ই ষড়যন্ত্র করে রাখে বনলতা। ঠিক করে সে পালাবে। তাই বরযাত্রী যখন বউ নিয়ে ফিরছে তখন সে ঘোমটার আড়ালে থাকার সুযোগ নিয়ে চলে আসে সুদেবের ঘরে। এদিকে লাজু চলে যায় অনুভবের সঙ্গে অজান্তেই। এরপর নানান জটিল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি পেরোয়। লাজু ও অনুভব ভালোবেসে ফেলে একে-অপরকে। এদিকে লাজুও লেখাপড়া করে মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়। আর অন্যদিকে, বনলতা যখন জানতে পারে যে তাঁর প্রেমিক আর তাঁর সঙ্গে থাকতে নারাজ, সে বড়লোক-শহুরে ছেলে অনুভবের কাছে ফেরে। নানাভাবে চেষ্টা করে যায় লাজু আর অনুভবকে দূরে রাখতে। এদ
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


