Kone Dekha Alo: লাজু-অনুভবের ভক্তদের জন্য বড় খবর! কনে দেখা আলো বন্ধ হবে? কী সিদ্ধান্ত জি বাংলার
Zee Bangla's Kone Dekha Alo: স্বস্তির খবর কনে দেখা আলো তারকা ও এই ধারাবাহিকের দর্শকদের জন্য। রাহুলের মৃত্যুর পর বিতর্কে অর্গানিক প্রোডাকশন। কী সিদ্ধান্ত নিল জি বাংলা?
Kone Dekha Alo Serial Update: রবিবারের বৈঠকের পর, চিরসখা ও ভোলে বাবা পার করেগা ধারাবাহিকে পড়েছে শেষ সিলমোহর। ইতিমধ্যেই এই দুই ধারাবাহিকের কাস্টদের কাছে আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে বকেয়া আছে কত টাকা! তবে স্বস্তির খবর কনে দেখা আলো তারকা ও এই ধারাবাহিকের দর্শকদের জন্য। এখনই শেষ হচ্ছে না লাজু-সুদেবদের গল্প।

বন্ধ হচ্ছে না কনে দেখা আলো:
জানা গিয়েছে যে, কনে দেখা আলো শেষ হচ্ছে না ঠিকই, তবে এর প্রযোজনা সংস্থা বদলাচ্ছে। ধারাবাহিকটি আর লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের পুত্র অর্কর প্রযোজনা সংস্থা অর্গানিক প্রোডাকশন-এর থেকে হবে না। এখন থেকে এটি সরাসরি জি বাংলা প্রযোজনা সংস্থার তত্ত্বাবধানে ও পরিচালনায় নির্মিত হবে। প্রসঙ্গত, চিরসখা-র কাহিনীকার ও চিত্রনাট্যকর ছিলেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায় খোদ। এবার কে সেই দায়িত্ব পালন করবেন তা নিয়ে আসেনি নিশ্চিত খবর।
গত ২৯ মার্চ তালসারিতে ম্যাজিক মোমেন্টসের ‘ভোলে বাবা পার করে গা’র শুটিং করতে গিয়ে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় সমুদ্রে তলিয়ে যান। গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে লীনা গঙ্গোপাধ্যায় ও শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, করা হয়েছে তথ্য গোপনও। শুটিংয়ে শিল্পী ও কলাকুশলীদের নিরাপত্তা কতটুকু, তা নিয়ে এরপর গত মঙ্গলবার একাধিক বৈঠক হয়। এবং লীনা-শৈবালের নাম সংযুক্ত এমন কোনও সংস্থার সঙ্গে কাজ করবে না, নেওয়া হয় সেই সিদ্ধান্ত।
কনে দেখা আলো-র গল্প:
'কনে দেখা আলো' বর্তমানে জি বাংলায় সম্প্রচারিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাংলা ধারাবাহিক। এই গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে লাজু এবং অনুভবের জীবনের টানাপোড়েন ও ভালোবাসার গল্প। শুধু তাই নয়, টিআরপি তালিকাতেও বেশ ভালো ফল করছে এটি। ৪৫ মিনিট ধরে সম্প্রটারিত ধারাবাহিকগুলির মধ্যে এটি টিআরপি টানে সবচেয়ে বেশি।
মঙ্গলবার বৈঠকের পর, লীনা ও শৈবালের ম্যাজিক মোমেন্টসের সঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে, বন্ধ ছিল কনে দেখা আলো-র কাজও। তবে আশা রাখা যায়, সোমবার থেকে স্বাভাবিক নিয়মেই ফের হবে কাজ।
রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু:
বাঙালি অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৬ সালের ২৯শে মার্চ ওড়িশার তালসারি সমুদ্র সৈকতে ডুবে যান। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, দীঘা মহাকুমা হাসপাতালের ডাক্তার তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানা গেছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলে তার ফুসফুসে প্রচুর বালি ও জল ঢুকে গিয়েছিল, যা অন্তত ঘণ্টাখানেক জলে ডুবে থাকলে হয় বলে খবর। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শ্যুটিং চলাকালীন ঘটে এই ঘটনাটি। এরপর ৩০ মার্চ রাহুলের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। তাঁর মুখাগ্নি করেন ১৩ বছরের ছেলে সহজ।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


