Zee Bangla Serial Update: সতীপীঠ কালীঘাটে দর্শকের মন কেড়ে নেওয়া খুদে বৈদ্যবাটির বাসিন্দা, কী করে মহনিয়া?
জি বাংলার সতীপীঠ কালীঘাট ধারাবাহিকে সাধক ‘ব্রহ্মানন্দ’-এর চরিত্রে রয়েছেন অরিন্দম গাঙ্গুলি। আর ডাকাত সর্দারের চরিত্রে দেবাশিস মন্ডল। আর মা কালীর ভক্ত, খুদে সেই কনে বউয়ের চরিত্রে থাকছেন বৈদ্যবাটির এই কন্যে।
দিন দুই আগেই সামনে এসেছে সতীপীঠ কালীঘাট (Satipith Kalighat) ধারাবাহিকের প্রথম প্রোমো। কালীঘাটের ইতিহাস তুলে ধরা হবে এখানে। বরাবরই দর্শকদের মধ্যে এই ধরনের গল্পের চাহিদা লক্ষ করা গিয়েছে। যার প্রমাণ করুণাময়ী রানী রাসমণী-র সাফল্য়। এই ধারাবাহিকে সাধক ‘ব্রহ্মানন্দ’-এর চরিত্রে রয়েছেন অরিন্দম গাঙ্গুলি। আর ডাকাত সর্দারের চরিত্রে দেবাশিস মন্ডল। ছোট্ট একটি মেয়েকেও দেখা গিয়েছে প্রোমো-তে। এবার সামনে এল তার পরিচয়। সতীপীঠ কালীঘাটে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে চলেছেন শিশুশিল্পী মহনিয়া পাল (Mahaniya Pal)।

প্রেমোয় দেখা যায়, সদ্য বিবাহিতা এক শিশুকন্যা বাপের বাড়ি থেকে চলেছেন শ্বশুরবাড়ির পথে। তবে আচমকাই ডাকাতের মুখোমুখি। নববধূর কাছ থেকে তাঁর গয়না লুঠ করার চেষ্টা পর্যন্ত করা হয়। আর ঠিক তখনই নিজেকে বাঁচাতে মা কালীকে স্মরণ করে সেই মেয়েটি। আর স্বমহিমায় আবির্ভূত হনমা কালী। দেবীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থণা করেন ডাকাত সর্দারও।
ডাকাত সর্দার যখন সেই ছোট্ট মেয়েটির গায়ের গয়না লুঠ করার চেষ্টা চালায়, তখন তার মুখেৎ অভিব্যক্তি, ডায়লগ ডেলিভারি মন কেড়ে নিয়েছে দর্শকদের। এমন পরিপক্ব ও সাবলীল অভিনয় দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ দর্শকরা। বৈদ্যবাটির মেয়ে মহনিয়া। নাচ শিখছে সে ছোট থেকেই, এবার ছোট পর্দায় খুদের অভিনয় দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন দর্শকরাও।
মাঝে খবর রটেছিল যে সতীপীঠ কালীঘাট-এ মা কালীর চরিত্রে দেখা যাবে পায়েল দেবকে। যদিও হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার তরফে এই নিয়ে পায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি হাসতে হাসতেই জবাব দেন, ‘আমিও সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবরটা দেখছি, শুনছি আর অবাক হচ্ছি! তোমাদের (সংবাদমাধ্যমের) মাধ্যমে আমি সবাইকে পরিষ্কার জানিয়ে দিতে চাই যে— আমি কালীঘাট কেন, কোনো ঘাটেই নেই (হাসি)। কোথা থেকে যে এই ধরণের ভুয়ো গুঞ্জন ছড়াল, তা আমার নিজেরই জানা নেই।’
এখনো সম্প্রচারের সময় বা তারিখ প্রকাশ্যে আসেননি। তবে ভক্তরা চাইছেন প্রাইম টাইম দেওয়া হোক এই মেগাকে। প্রোমো ইতিমধ্যেই মন কেড়েছে দর্শকের। যদিও অনেকেরই চ্য়ানেলের উদ্দেশে পরামর্শ মাত্রাতিরিক্ত এআই ব্যবহার যেন না করা হয়। কারণ অনেকক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, তা হাস্যকর হয়ে ওঠে দর্শকদের কাছে। এমনকী, দর্শকরাও সেক্ষেত্রে নিজেদের উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। বলে রাখা ভালো, এই মেগার নির্মাতাদের বিরুদ্ধে গল্প লিখিয়ে পারিশ্রমিক না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বাংলার জনপ্রিয় লেখিকা দেবারতি মুখোপাধ্যায়।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


