চুম্বক দিয়ে পেটে থাকা চাবি মুখ থেকে বের করল ‘দিতি’ পল্লবী! জি বাংলার ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’-তে হাস্যকর টুইস্ট
ফের হাসির খোরাক তারে ধরি ধরি মনে করি ধারাবাহিক। সঙ্গে ট্রোলের মুখে পল্লবীও। দেখা গেল পেটে থাকা একটা চাবি, চুম্বকের সাহায্যে মুখ থেকে বের করল দিতি। যা নিয়ে ট্রোল নেটপাড়ায়।
ধারাবাহিকের প্রোমো একেকসময় এমন নায়কীয় করে তুলে ধরা হয়, যে সেগুলো হাসির খোরাক হয়ে ওঠে। এমনকী, সেই ধারাবাহিকে কাজ করা কলাকুশলীরাও মুক্তি পান না ট্রোলের হাত থেকে। এবার যেমন তারে ধরি ধরি মনে করি ধারাবাহিকের একটি প্রোমোতেও সেই একই অবস্থা।

দেখা যাচ্ছে একটি লোক গিলে ফেলেছে চাবি। আর ধরা পড়ে বলছে, ‘চাবি কী করে খেয়ে নিতে হয় সেই বিদ্যে আমি জানি, তবে চাবি কী করে বের করতে হয় সেই বিদ্যে তো আমি শিখিনি।’ এমন কথা শুনে গোস্বামী পরিবার যখন আতান্তরে পড়ে যায়, তখনই বাঁচাতে ছুটে আসে দিতি। বলে ওঠে, ‘ওই চাবি উদ্ধার করার উপায় আমি পেয়ে গিয়েছি’। হাতে একটা ইয়াব্বড় চুম্বক। আর সেই চুম্বকের সাহায্যেই লোকটির পেটের ভিতর থেকে বের করে চাবিখানা।
দেখা যায় প্রথমে লোকটির পেটের কাছে চুম্বক ঠেকায় দিতি। তারপর তা ধীরে ধীরে উপর দিকে তুলতে থাকে। আর সবশেষে চুম্বক গলার কাছাকাছি পৌঁছে গেলেই মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে সেই গিলে ফেলা চাবি।
তবে প্রোমো দেখে হেসেই অস্থির নেটপাড়া। একজন লিখেছেন, ‘ফের গল্পের গোরুকে এরা গাছে উঠিয়েছে।’ আরেকজন লেখেন, ‘আগে ভালো লাগত ধারাবাহিকটা। গাঁজাখুরি দেখাতে বসেছে এখন। অসহ্য।’ আরেকজন লেখেন, ‘একজায়গায় খলনায়ক আরশোলা খাচ্ছে, আরেকজায়গায় নায়িকা পেট দিয়ে চাবি বের করছে চুম্বকের সাহায্যে। এই সিরিয়ালগুলো দেখে কারা।’ আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘সত্যিই জি কাকুর মাথাটা গেছে।’
তারে ধরি ধরি মনে করি ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন পল্লবী শর্মা, বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়। পল্লবীকে প্রথমে দেখা গিয়েছিল রূপমঞ্জুরী হিসেবে। যদিও মারা যায় সে। এরপরই রূপমঞ্জুরির মতো দেখতে অদ্বিতীয়া আসে গোরার জীবনে। গোরা ও দিতির দাম্পত্যে একের পর এক বাধা, ষড়যন্ত্র ধারাবাহিকটিকে বেশ টানটান করে রেখেছে। বেশ কিছু অলৌকিক ও আদ্যাত্মিক ঘটনাও দেখানো হয়েছে। যেমন দিতি যখন তার স্মৃতি হারিয়ে ফেলেছিল তখন তাকে গোরা কপোতাক্ষ নদীর কাছে নিয়ে গিয়েছিল। সেখানে গিয়ে দিতি ছড়া কেটে তাঁর স্মৃতি ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছিল। আর তখনই জলে ভেসে ওঠেছিল পাঁচ মাসের যে স্মৃতি সে হারিয়ে ফেলেছে তার টুকরো ঝলক। তবে এই চুম্বক দিয়ে চাবি বের করার ব্যাপারটা যে বেশ ইউনিক, তা মানছেন দর্শকরা। যদিও বেশ লম্বা সময় ধরে বাংলা চ্য়ানেলগুলোর টিআরপি না আসায় বোঝা মুশকিল, দর্শকরা এগুলো কতটা খাচ্ছেন থুরি দেখছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


