'সেক্স সিম্বল' ট্যাগ! 'ওই ছবির পেছনের নারীকে কেউ দেখেনি...', লিখলেন জিনাত আমান

একসময় বলিউডের অন্যতম সাহসী অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত ছিলেন জিনাত আমান। পর্দায় তাঁর বোল্ড অবতারের কারণে জুটেছিল ‘সেক্স সিম্বল’ তকমা। এতদিন পর সেই পরিচিতি নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী। জানালেন, পর্দার পিছনে থাকা মানুষটি আসলে কেমন!

Published on: Oct 29, 2026, 15:30:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

হিন্দি সিনেমার প্রখ্যাত অভিনেত্রী জিনাত আমান তাঁর সময়ের শীর্ষ অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। নিজের ক্যারিয়ারে জিনাত অনেক ব্লকবাস্টার সিনেমা উপহার দিয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, জিনাতকে একজন সাহসী (বোল্ড) অভিনেত্রী হিসেবেও দেখা হত। তিনি সিনেমায় অনেক বোল্ড দৃশ্য দিয়েছেন, যার কারণে তাঁকে 'সেক্স সিম্বল' তকমা পেতে হয়েছিল। এবিষয়ে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন জিনাত। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন।

‘সেক্স সিম্বল’ তকমা নিয়ে জিনাত আমানের আক্ষেপ
‘সেক্স সিম্বল’ তকমা নিয়ে জিনাত আমানের আক্ষেপ

গত ২৮ অক্টোবর ইনস্টাগ্রামে নিজের তিনটি ছবি ভাগ করে নিয়ে জিনাত লেখেন, জনসমক্ষে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠার পর তাঁকে বারবার ‘সেক্স সিম্বল’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সিনেমার জগতের অংশ হিসেবেই বিষয়টিকে মেনে নিয়েছিলেন তিনি। নিজের কাজকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসলেও ক্যামেরার সামনে তৈরি হওয়া ভাবমূর্তির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত স্বভাবের মিল খুব একটা নেই। বরং তিনি স্বভাবে বেশ ব্যক্তিগত পরিসরে থাকতে পছন্দ করেন, কিছুটা অন্তর্মুখীও। নিজের কাজে সম্পূর্ণ ডুবে থাকতে পারলেই সবচেয়ে বেশি আনন্দ পান বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বলতে গিয়ে জিনাতের বক্তব্য, অন্যরা আমাদের সবসময় প্রকৃত রূপে দেখতে পান না। প্রত্যেকেই নিজের অভিজ্ঞতা, প্রত্যাশা কিংবা কল্পনার ভিত্তিতে অন্যকে বিচার করেন। কারও চোখে কোনও মানুষ রহস্যময়, কারও কাছে আবার ভীতিকর। অথচ দীর্ঘ বিমানে পাশাপাশি বসা কোনও অচেনা ব্যক্তির সঙ্গেও কখনও এমন কথা ভাগ করে নেওয়া যায়, যা পরিচিতদের কাছেও বলা হয়ে ওঠে না। মানুষের এই বিচিত্র মানসিকতাকেই মজার বলে মনে করেন তিনি।

তাই নিজের সম্পর্কে তৈরি হওয়া প্রতিটি ভুল ধারণা শুধরে দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন না জিনাত। তাঁর মতে, অন্যদের যেমন নিজেদের মতো করে কাউকে দেখার অধিকার রয়েছে, তেমনই প্রত্যেকের নিজের সত্যি অনুযায়ী বেঁচে থাকার অধিকারও রয়েছে। এই দুই দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় এক হবে, এমন কোনও কথা নেই।

পোস্টের শেষ দিকে অভিনেত্রী পাঠকদের কাছেও জানতে চেয়েছেন, কখনও তাঁদের সম্পর্কে কেউ ভুল ধারণা তৈরি করেছেন কি না। কিংবা তাঁরাও কখনও অন্য কাউকে ভুলভাবে বিচার করেছেন কি না। জিনাতের বিশ্বাস, প্রত্যেকের জীবনেই এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে, আর সেই গল্পগুলো শুনতেই আগ্রহী তিনি।

জিনাত আমানের কাজের কথা বললে, 'হরে রাম হরে কৃষ্ণ' (১৯৭১), 'ইয়াদোঁ কি বারাত' (১৯৭৩) এবং রাজ কাপুরের 'সত্যম শিবম সুন্দরম' (১৯৭৮)-এর মতো সিনেমা দিয়ে তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছিলেন। 'সত্যম শিবম সুন্দরম' সিনেমায় তাঁর 'রূপা' চরিত্রটিকে যেভাবে বোল্ডভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, তা তাঁর গ্ল্যামারাস ও ছকভাঙা স্ক্রিন ইমেজকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছিল। এ ছাড়া জিনাত তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বেশ চর্চায় ছিলেন।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More