Most Expensive Jackfruit: কাঁঠাল বিক্রি করেই হতে পারেন বিরাট বড়লোক, জেনে নিন কীভাবে
Most Expensive Jackfruit: একটি কাঁঠালের দামই ১৬ হাজার টাকা! কোথায় এই দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁঠাল?
Most Expensive Jackfruit: একটি মাত্র কাঁঠাল। তারই দাম ১৬ হাজার টাকা। বাজারে এমন কাঁঠাল বিক্রি করার সুযোগ থাকলে যে কেউই চাইবেন এই ফলের ব্যবসায় নামতে। হালে এমন দাবিই উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

কয়েক বছর আগে একটি কাঁঠালের ছবি ভাইরাল হয়েছিল। বাজারে বিক্রি হচ্ছে কাঁঠালটি। তবে ভারতে নয়, বিদেশের বাজারে। আর তার গায়ে দাম লেখা— ১৬০ পাউন্ড। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৬ হাজার টাকা। আর এই দাম দেখেই বিপুল আলোচনা শুরু হয়েছে এই কাঁঠালটি নিয়ে।
কলকাতা বা তার পার্শ্ববর্তী এলাকার বাজারে একটি কাঁঠালের দাম বড়জোর ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত ওঠে। বিলেতের মাটিতে সেই কাঁঠালের দামই কেন ১৬ হাজার টাকা, তা বুঝতে পারছেন না কেউ। ফলে এই নিয়ে শুরু হয়েছে জোরদার চর্চা। সঙ্গে চলছে হাসি মশকরাও।
কারও কারও দাবি, এত দামে যেখানে কাঁঠাল বিক্রি হয়, সেখানে এই ফলের ব্যবসাতেই নামা উচিত। কারও বক্তব্য এতে বিরাট বড়লোক হতে পারবেন যে কেউ। কারও বক্তব্য এবার কাঁঠাল বিক্রি করেই তাঁরা কোটিপতি হতে চান। কিন্তু এসবের মধ্যেও উঠে এসেছে প্রশ্ন— কেন এই কাঁঠালের এত দাম?
জানা গিয়েছে, এই ছবিটি লন্ডনের সবচেয়ে পুরনো বাজার— বোরো মার্কেটের। লন্ডনে ক্রমশ বাড়ছে কাঁঠালের চাহিদা। বিশেষ করে যাঁরা নিরামিষ খান, তাঁদের মধ্যে এই ফলের চাহিদা তুঙ্গে। কিন্তু ও দেশে কাঁঠাল উৎপাদনের অনুকূল পরিবেশ নেই। ফলে ভারত বা এশিয়ার অন্য দেশ থেকে কাঁঠাল আমদানি করতে হয়। চাহিদার সঙ্গে জোগানের ফারাক তৈরি হলেই দাম চড়তড় করে বাড়ে।
তবে কৌটোবন্দি কাঁঠাল ইংল্যান্ডে পাওয়া যায়। সেই কাঁঠালের দামও অনেক কম, তার স্বাদও মোটেই সুবিধার নয়। তাই আসল কাঁঠালের চাহিদা এমন তুঙ্গে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


