Methi or fenugreek seeds Health Benefits: রান্নায় মেথি দিচ্ছেন? শরীরের উপর কেমন প্রভাব ফেলছে এই মশলাটি

রান্নাঘরের অতি পরিচিত মশলা এই মেথি। রান্নায় এটি ব্যবহার করলে, তার কেমন প্রভাব শরীরে পড়ে? জেনে নিন।

Published on: Apr 10, 2026, 13:22:33 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাঙালিদের কাছে তো বটেই গোটা ভারতেই মেথি অত্যন্ত জনপ্রিয় মশলা। বিভিন্ন ধরনের রান্নায় এটি দেওয়া হয়। কিন্তু শুধুমাত্র স্বাদ বা গন্ধ বৃদ্ধি নয়, মেঠির অন্য নানা প্রভাবও রয়েছে।

রান্নায় মেথি দিচ্ছেন? শরীরের উপর কেমন প্রভাব ফেলছে এই মশলাটি
রান্নায় মেথি দিচ্ছেন? শরীরের উপর কেমন প্রভাব ফেলছে এই মশলাটি

নিয়মিত মেথি খেলে কী কী হতে পারে? আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা বলেছেন এই মশলাটির নানা গুণের কথা। দেখে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী।

  • মেথিতে নানা ধরনের ভিটামিন ও অন্যান্য পুষ্টিগুণ রয়েছে। এটি খাবার হজম করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। শরীরে মেদ জমতে দেয় না।
  • যে সব মায়েরা স্তন্যপান করাচ্ছেন, তাঁদের রান্নায় মেথি দেওয়া খুবই ভালো। কারণ এতে দুধের পরিমাণ বাড়ে। মায়েদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
  • রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে? বা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে? এই সমস্যা অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে মেথি।
  • রক্তে নানা ধরনের দূষিত পদার্থ জমে অনেক সময়ে। সেই দূষিত পদার্থ সাফ করতেও সাহায্য করে মেথি। তাই নিয়মিত মেথি খেলে রক্ত পরিশুদ্ধ হয়। ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  • যাঁরা ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের রান্নাতেও মেথি মেশানো যেতে পারে। এতে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ কমে।
  • অকালে চুল পেকে যাচ্ছে? কিংবা চুল পড়ে যাচ্ছে? এই সমস্যাতেও নিয়মি খেতে পারেন মেথির জল। সমস্যা কমবে।
  • বিভিন্ন গাঁটের ব্যথা কমাতেও ওস্তাদ মেথির কিছু উপাদান। পেটের ব্যথার মতো সমস্যাতেও কাজে দিতে পারে মেথি ভিজোনো জল।
  • কফের সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের রান্নাতেও নিয়মিত মেথি দিলে, তাঁরা উপকার পেতে পারেন। বুকে জম কফ, শ্বাসকষ্ট, ব্রনকাইটিসের সমস্যা কমতে পারে এর ফলে।
  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More