Health Benefits of Asafoetida or Hing: শীতে হিংয়ের কচুরি খাচ্ছেন, ডালেও মেশাচ্ছেন? শরীরে কেমন প্রভাব পড়ছে জানেন কি
বাঙালি রান্নায় হিং ব্যবহার করা হয় নিত্যই। শীতের নানা রান্নাতেও অনেকে হিং মেশান। শরীরে এই হিং কী কী বদল ঘটায়, জেনে নিন।
বাঙালি রান্নায় হিংয়ের ব্যবহার হয়েই থাকে। অবাঙালিরাও হিং ব্যবহার করেন। ডাল, তরকারিতে তো হিং দেওয়াই হয়, এর পাশাপাশি কচুরি বা অন্য ভাজা খাবারেও দেওয়া হয় হিং।

অনেকের ধারণা, হিং শরীর গরম করে দেয়। কিন্তু শরীরের উপর হিংয়ের বহু ধরনের প্রভাব আছে। সেগুলি জানা থাকলে হিং খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা হতেই পারে। জেনে নিন সেগুলি:
- হিং পেটের জন্য খুব ভালো। যাঁদের পেট পরিষ্কার হয় না, তাঁরা যদি নিয়মিত সামান্য পরিমাণে হিং খান, তাহলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আয়ুর্বেদেও হিংয়ের এই ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। এ জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হল ডালে হিং দিয়ে খাওয়া।
- অনেকেরই শ্বাসের সমস্যা হয়। বিশেষ করে শীতে এই সমস্যা বাড়ে। কোভিডের কারণেও অনেকের ফুসফুস দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাঁদের জন্যও হিং খুব কাজের। তরকারি সামান্য হিং দিলে, সেটি ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- হিংয়ে coumarin নামের একটি উপাদান রয়েছে। এটি রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। ফলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কিছুটা কমতে পারে এই মশলাটি খেলে। এক গ্লাস জলে সামান্য হিং মিশিয়ে খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের ব্যথার কমাতে পারে হিং। ঋতুকালীন ব্যথা বা মাথাব্যথার কমানোর ক্ষেত্রে হিং খুবই উপকারী।
- শুধু খাওয়া নয়, হিং বাইরে থেকে ত্বকেরও উপকার করতে পারে। যাঁদের ব্রণর সমস্যা হয়, তাঁরা মুখে হিং গোলা জল মাখতে পারেন। পোকামাকড়ের কামড় খেলেও সেখানে লাগাতে পারেন হিং এবং আদার মিশ্রণ। সমস্যাগুলি কমবে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


