Amrik Sukhdev Dhaba: ফ্রি খাবার খাইয়েই মাসে ৮ কোটি আয়! ধাবা নয়, সাম্রাজ্য গড়েছেন ইনি, সিক্রেট কী?

Amrik Sukhdev Dhaba Business Strategy: কোথাও কোনও বিজ্ঞাপন নেই ধাবার। শুধু ফ্রি খাবার খাইয়েই মাসে আট কোটি টাকা আয় করে এই ধাবাটি। তবে একে ধাবা বলা ভুল। রীতিমতো রাজপ্রাসাদের মতোই দেখতে এটি।

Published on: Jul 10, 2025 6:45 PM IST
By ,
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

প্রায় সত্তর বছর ধরে পরিষেবা দিচ্ছে হরিয়ানার অমৃক সুখদেব ধাবা। কিন্তু ধাবা না বলে সাম্রাজ্য বললেও বোধহয় ভুল বলা হবে না। কারণ এই ধাবা থেকে প্রতি মাসে মালিকদের আয় আট কোটি টাকা। প্রতিদিন অন্তত নয় থেকে দশ হাজার গ্রাহক খেতে আসেন হরিয়ানার অমৃক সুখদেব ধাবায়। পাঁচশোর বেশি কর্মী নিয়ে এই ধাবা চলে। কিন্তু এই ধাবার কোনও বিজ্ঞাপন কোথাও দেখা যাবে না। শুধুমাত্র মুখের কথায় আর হাতের যশেই এই ধাবা চলছে দিনের পর দিন।

ধাবা নয়, সাম্রাজ্য (ছবি সৌজন্য - লিঙ্কডইন)
ধাবা নয়, সাম্রাজ্য (ছবি সৌজন্য - লিঙ্কডইন)

আরও পড়ুন - ‘সুযোগ পেলে একবার কাশ্মীরে আসুন’, দিদিকে আমন্ত্রণ ওমরের, কী বললেন মমতা?

কীভাবে শুরু হয়েছিল?

১৯৫৬ সালে সর্দার প্রকাশ সিংয়ের হাত ধরে শুরু হয়েছিল এই ধাবা। অমৃক ও সুখদেব দুই ছেলের নামে পরবর্তীকালে ধাবার নাম হয় অমৃক সুখদেব ধাবা। অবশ্য আজকের মতো বিশাল সাম্রাজ্য প্রথম থেকেই ছিল না। গোড়ায় ছিল একটি ছোট্ট তাঁবু। সেখানেই খেতে আসতেন ট্রাক ও লরিচালকেরা। প্রথম প্রথম তাঁদের ফ্রিতে অর্থাৎ বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হত। এর ফলে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে গ্রাহকের সংখ্যা। ভালো খাবারের গুণে বিশ্বস্ত গ্রাহকদের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে দিন দিন। সেখান থেকেই শুরু জয়যাত্রা।

আরও পড়ুন - ‘বৃদ্ধ’ শহরকে বনস্পতির ছায়া দিচ্ছে অচেনা 'সন্তান'! বিষণ্ণ বিকেলে শরতের ছোঁয়া

বিজ্ঞপন ছাড়া কীভাবে চলে?

সর্দার প্রকাশ সিংয়ের এই ধাবাতে শুধু প্রথমবার বিনামূল্যে খাবার পাওয়া যেত, তাই নয়। পরের দিকেও বিশ্বস্ত গ্রাহকদের ছাড় দেওয়া হত খাবারের বিলে। এই গ্রাহকরাই ধাবার কথা নানা জায়গায় ছড়িয়ে দিতে শুরু করেন। যার ফলে আরও বেড়ে যায় গ্রাহকের সংখ্যা।

মালিক নিজে পরখ করেন খাবার

অধিকাংশ হোটেল বা রেস্তরাঁতে মালিকরা খাবারের গুণমান পরখ করে দেখেন না। কিন্তু অমৃক সুখদেব ধাবার মালিক আজও খাবারের স্বাদ নিজে পরখ করেন। এছাড়াও ধাবাতে অন্তত ১৫০টা টেবিল রয়েছে। প্রতিটি ৪৫ মিনিট অন্তর সেখানে নতুন ব্যাচ খেতে আসে। এমনকি রাতেও খোলা থাকে এই ধাবা। আর এভাবেই আজ ১০০ কোটির সম্পত্তি তৈরি করে ফেলেছে ধাবাটি।