ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পৃথিবীর মূল্যবান সম্পদ সংরক্ষণে এবার পরিবেশবান্ধব গয়নার উদ্যোগ
প্রচলিত হীরা উত্তোলনের জন্য ব্যাপক খনন কার্যক্রম পরিচালিত হয়, যার ফলে বনভূমি ধ্বংস, জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি, মাটির অবক্ষয় এবং বিপুল পরিমাণ জলের অপচয় ঘটে।
পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে অতিরিক্ত খনন, শিল্পায়ন এবং ক্রমবর্ধমান ভোগের কারণে। এমন সময়ে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে আধুনিক একটি জুয়েলারি ব্র্যান্ড। প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশবান্ধব ও নৈতিক বিকল্প হিসেবে ল্যাব-গ্রোন ডায়মন্ড ব্যবহারের মাধ্যমে বিলাসবহুল গয়নার জগতে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

প্রচলিত হীরা উত্তোলনের জন্য ব্যাপক খনন কার্যক্রম পরিচালিত হয়, যার ফলে বনভূমি ধ্বংস, জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি, মাটির অবক্ষয় এবং বিপুল পরিমাণ জলের অপচয় ঘটে। অন্যদিকে, ল্যাব-গ্রোন ডায়মন্ড তৈরিতে প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর চাপ অনেক কম পড়ে এবং পরিবেশের ক্ষতিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। একই সঙ্গে এগুলি প্রাকৃতিক হীরার মতোই উজ্জ্বলতা, গুণমান এবং স্থায়িত্ব প্রদান করে।
এস্পেরার সিইও প্রতীক দুগার বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি যে সৌন্দর্য ও বিলাসিতা কখনও পরিবেশের ক্ষতির বিনিময়ে অর্জিত হওয়া উচিত নয়। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা, যেখানে মানুষ সচেতনভাবে বিলাসিতা উপভোগ করবে এবং একই সঙ্গে পৃথিবীর সম্পদ সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখবে।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, ল্যাব-গ্রোন ডায়মন্ডের ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে প্রাকৃতিক হীরা খননের প্রয়োজন কমবে, ফলে বন, জলসম্পদ এবং বাস্তুতন্ত্র আরও সুরক্ষিত থাকবে। এর ফলে আগামী প্রজন্ম একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর এবং সম্পদসমৃদ্ধ পৃথিবী পাবে।
সংস্থাটি মনে করে, আজকের সচেতন সিদ্ধান্তই আগামী দিনের পৃথিবীকে আরও নিরাপদ ও টেকসই করে তুলতে পারে। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি এবং দায়িত্বশীল ভোক্তা সংস্কৃতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও ভারসাম্যপূর্ণ পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


