Are High Heels Bad: হাই হিল পরলেই পায়ের ব্যথা হচ্ছে? কী করবেন এখন, এই ধরনের জুতো ফেলে দিতে হবে নাকি
হাই হিল জুতো পরতে ভালোবাসেন? কিন্তু পরলেই ব্যথা হচ্ছে? যতগুলি হাই হিল জুতো আছে, সবই কি তাহলে বাতিল করতে হবে? নাকি অন্য উপায়ও আছে?
ফ্যাশন সচেতন অনেকের কাছেই হাই হিলের কালেকশন থাকে। কিন্তু কেউ যদি বহুদিন এই জাতীয় জুতো না পরেন, তাহলে প্রথম বার পরার সময়ে পায়ে ব্যথা হতে পারে। আবার দীর্ঘ ক্ষণ এই জুতো পরে থাকলেও সমস্যা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক ক্ষণ এমন জুতো পরে থাকলে পায়ের বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা যায়। তাই আগে থেকে কিছু বিশেষ সাবধানতা বজায় রাখা দরকার।
পায়ে ব্যথার কথা চিন্তা করে অনেকেই হাই হিল পরা এড়িয়ে যান। কিন্তু তা বলে কি হাই হিল পরা ছেড়ে দেবেন? একদম না । কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে চললে অনায়াসে আপনি ব্যথা ছাড়াই হাই হিল পড়তে পারবেন।
- পায়ে ভালোভাবে ময়েশ্চরাইজার লাগিয়ে তবেই হাই হিল পরুন। এতে ফোসকা পড়ার আশঙ্কা কমে।
- জুতো খোলার পর পা হালকা ভাবে নাড়াচাড়া করুন। আলতো ভাবে ম্যাসাজও করতে পারেন।
- পয়েন্টেড হিলের তুলনায় ব্লক হিল বেশ আরামদায়ক। তাই আরামদায়ক স্টাইলিশ ব্লক হিল জুতো পরুন। যা দেখতেও সুন্দর লাগবে এবং আরামও পাবেন।
- গোড়ালিতে বেশি ব্যথা করলে আইস প্যাক লাগান।
- হাই হিল পরে পায়ের গোড়ালিতে টেপ লাগিয়ে নিতে পারেন। এতে ফোসকাও পরবে না আবার আরামও বোধ করবেন।
- সামনে খোলা বা পিছনে খোলা থাকে, এমন জুতো পরুন। কারণ সামনে- পিছনে ঢাকা জুতো পরলে আপনার অস্বস্তি লাগা শুরু হবে। তা থেকে হবে পায়ে ব্যথা।
- মোটা সোলের জুতো পরার চেষ্টা করুন। যেসব জুতোর সোল পাতলা, সেগুলিতে ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
- সারাদিনে অন্তত একবার ফুট ম্যাসাজ করতে পারলে ভালো।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


