সুগারের রোগীদের কি রাজমা আদৌ খাওয়া উচিত? জানুন কী জানালেন বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস, ফাইবার আর প্রোটিনে ভরপুর রাজমা শরীরের জন্য খুব উপকারি। কিন্তু ডায়াবেটিস থাকলে কি খাওয়া যাবে?

Published on: Apr 9, 2026, 17:09:32 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রুটি বা ভাতের সাথে পরিমাণমতো রাজমা ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপযোগী হয়ে উঠতে পারে বলে জানালেন একজন নিউট্রিশনিস্ট। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস, ফাইবার আর প্রোটিনে ভরপুর রাজমা শরীরের জন্য খুব উপকারি। সঙ্গে এটিকে লো জিআই (glycaemic index) ফুড হিসেবেও মানা হয়ে থাকে। ফলে এটি শরীরের জন্য উপকারি পুষ্টি যোগানোর পাশাপাশি সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে।

সুগারের রোগীদের কি রাজমা আদৌ খাওয়া উচিত? জানুন কী জানালেন বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ
সুগারের রোগীদের কি রাজমা আদৌ খাওয়া উচিত? জানুন কী জানালেন বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ

রাজমা খেতে যেমন সুস্বাদু তেমন উপকারিও। এটি হার্টের জন্য ভালো, ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে, ওজন কমাতে সাহায্য করে, হাড় শক্ত রাখে এমনকী ক্যানসারের সম্ভাবনাও কমায়।

রাজমায় থাকা ফাইবার ও প্রোটিনের জন্য এটি ওজন কমাতে খুব সাহায্য করে। রাজমার মিনারেল, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম হাড় শক্ত রাখে এবং অস্টিওপোরোসিস হওয়া আটকায়।

নিউট্রিশনিস্ট ভুবন রস্তোগি জানান, ‘রাজমায় প্রোটিন থাকে মাঝারি মানের আর ফাইবার থাকে অনেক বেশি। ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট হজম হতে সময় নেয়। সেই কারণেই রাজমাকে ফেলা হয় লো গ্লাইকেমিক খাবারের তালিকায়। তাই ডাইবেটিসের রোগীরাও এটা খেতে পারেন।’

সঙ্গে রাজমা পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সাহায্য করে।

‘রাজমায় থাকা উচ্চমাত্রার ফাইবার প্রোবায়োটিকের কাজ করে আর পেট ভালো রাখে। প্রতিদিন আমাদের শরীরের ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম ফাইবারের প্রয়োজন পড়ে (ভারতীয়দের জন্য আইসিএমআরের গাইডলাইনস)। আর ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।’, জানানা রস্তোগি।

রাজমার উপকারিতা

১ কাপ রান্না করা রাজমায় আছে

১৫ গ্রাম প্রোটিন (একটা ডিমের মতো)

১ গ্রামের কম ফ্যাট

১১ গ্রাম ফাইবার

২৯ গ্রাম কার্বস

তাই এবার থেকে রাজমা খেতে ইচ্ছে করলে নিজেকে আর সেই স্বাদ থেকে বঞ্চিত করবেন না!

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More