শিক্ষায় ডিজিটাল জোয়ার ও স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড় সাহায্য! যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং কিডনি কেয়ার সোসাইটির পাশে দাঁড়াল ব্যাংক
বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন উচ্চশিক্ষার ডিজিটাল পরিকাঠামো উন্নত হবে, তেমনই অন্যদিকে গরিব ও দুস্থ কিডনি রোগীদের চিকিৎসার পথ আরও সুগম হবে।
সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কাজে ভারতের শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অবদান সর্বদাই প্রশংসনীয়। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) তহবিলের মাধ্যমে কলকাতার দুটি প্রথম সারির শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়াল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

অফিশিয়াল প্রেস রিলিজ অনুযায়ী, গত ১৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে ব্যাংকের চেয়ারম্যান শ্রী সি এস শেট্টি (Shri C S Setty) যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং ‘কিডনি কেয়ার সোসাইটি’-র কাছে ব্যাংকের আর্থিক ও পরিকাঠামোগত সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন উচ্চশিক্ষার ডিজিটাল পরিকাঠামো উন্নত হবে, তেমনই অন্যদিকে গরিব ও দুস্থ কিডনি রোগীদের চিকিৎসার পথ আরও সুগম হবে। কলকাতার বুকে আয়োজিত এই বিশেষ সিএসআর (CSR) ইভেন্ট এবং ব্যাংকের এই সামাজিক উদ্যোগ জেনে নিন।
দেশের সামাজিক অগ্রগতি ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে এই বিশেষ অর্থ সাহায্য দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য—মানব সমাজের এই দুটি মূল স্তম্ভকে আরও শক্তিশালী করতে ব্যাংকের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজিটাল পরিকাঠামোর ভোলবদল
কলকাতার গর্ব তথা দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) ডিজিটাল পরিকাঠামোকে আরও আধুনিক ও আপগ্রেড করার জন্য ব্যাংকের তরফ থেকে বিশেষ সিএসআর সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। এই সহায়তার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিগত শিক্ষাদান, অনলাইন ল্যাবরেটরি এবং ডিজিটাল লাইব্রেরি ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি ঘটবে। ১৭ জুলাই আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য (Vice Chancellor) শ্রী চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর আধিকারিক দলের উপস্থিতিতে এই সহযোগিতা সম্পন্ন হয়।
কিডনি রোগীদের চিকিৎসায় নতুন আশা
শিক্ষার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও এক বড় অবদান রেখেছে ব্যাংক। ‘কিডনি কেয়ার সোসাইটি’ (Kidney Care Society)-র দ্বারা পরিচালিত ‘সম্পা বোস মেমোরিয়াল কিডনি হাসপাতাল’-এর চিকিৎসাগত পরিকাঠামো ও আধুনিক মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট কেনার জন্য বড় আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। এর ফলে কিডনি রোগে আক্রান্ত সাধারণ ও দুস্থ রোগীরা অনেক কম খরচে বিশ্বমানের আধুনিক চিকিৎসা পাবেন। এই মহতী অনুষ্ঠানে কিডনি কেয়ার সোসাইটির ডিরেক্টর ড. প্রতিম সেনগুপ্ত এবং তাঁর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের টিম উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শীর্ষ আধিকারিকবৃন্দ
ব্যাংকের চেয়ারম্যান শ্রী সি এস শেট্টির এই বিশেষ উদ্যোগকে সফল করতে কলকাতার এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের কলকাতা সার্কেলের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী রাজেশ কুমার এবং শ্রী নবীন কুমার গুপ্ত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এসবিআইএল (SBIL)-এর জেনারেল ম্যানেজার শ্রী রাজীব রত্ন শ্রীবাস্তব-সহ ব্যাংকের অন্যান্য উচ্চপদস্থ ও প্রবীণ আধিকারিকরা।
বর্তমান ২০২৬ সালের আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি বা সিএসআর-এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান শ্রী সি এস শেট্টির এই দূরদর্শী সিদ্ধান্ত কলকাতার শিক্ষা ও চিকিৎসা ক্ষেত্রকে এক নতুন গতি প্রদান করল। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিকীকরণ এবং ড. প্রতিম সেনগুপ্তের হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার এই আপগ্রেশন আগামী দিনে বহু সাধারণ মানুষের উপকারে আসবে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


