শিশুদিবসে স্কুলে কিছু বলতে হবে? একটা ছোট ভাষণের বয়ান রইল এখানে

স্কুলের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য একটি আদর্শ প্রতিবেদন নিচে দেওয়া হলো, যেখানে নেহরুকে স্মরণ করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য উৎসাহিত করার বার্তা থাকবে।

Published on: Nov 14, 2025, 10:37:20 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

১৪ নভেম্বর, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর জন্মদিন। শিশুদের প্রতি তাঁর ভালোবাসার কারণে এই দিনটি ভারতে শিশু দিবস (Children's Day) হিসেবে পালিত হয়। স্কুলের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য একটি আদর্শ প্রতিবেদন নিচে দেওয়া হলো, যেখানে নেহরুকে স্মরণ করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য উৎসাহিত করার বার্তা থাকবে।

শিশুদিবসে স্কুলে কিছু বলতে হবে? একটা ছোট ভাষণের বয়ান রইল এখানে
শিশুদিবসে স্কুলে কিছু বলতে হবে? একটা ছোট ভাষণের বয়ান রইল এখানে

শুভ সকাল, অধ্যক্ষ মহাশয়/মহাশয়া, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং আমার প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীরা,

আজ এক অত্যন্ত আনন্দের দিন—আজ আমাদের শিশু দিবস। আজকের এই দিনটি আমরা উদযাপন করি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর জন্মদিন হিসেবে। তিনি শিশুদের খুব ভালোবাসতেন এবং আদর করে শিশুরা তাঁকে 'চাচা নেহরু' বলে ডাকত। তিনি বলতেন, আজকের শিশুরাই হলো আগামী দিনের ভারতের ভিত্তি। একটি দেশের ভবিষ্যৎ কেমন হবে, তা নির্ভর করে সেই দেশের শিশুরা কীভাবে গড়ে উঠছে তার ওপর।

চিলড্রেনস ডে-র বার্তা

চাচা নেহরু সব সময় বিশ্বাস করতেন যে প্রতিটি শিশুর তিনটি জিনিস পাওয়ার অধিকার আছে: ভালোবাসা, শিক্ষা এবং সুযোগ (Love, Education, and Opportunity)।

১. শিক্ষার গুরুত্ব: নেহরু সবসময় শিক্ষার ওপর জোর দিতেন। তিনি মনে করতেন, শিক্ষা হলো সেই আলো যা আমাদের অন্ধকার দূর করে। তোমরা এখন স্কুলে আছো, তাই তোমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো মন দিয়ে পড়াশোনা করা, শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, বরং বিশ্বের জ্ঞান অর্জন করা।

২. স্বপ্ন দেখার সাহস: তোমরা সবাই ছোট ছোট চারাগাছের মতো। তোমাদের সঠিক পরিচর্যা পেলে তোমরা ভবিষ্যতে বিরাট মহীরূহ হবে। তাই বড় স্বপ্ন দেখো, সাহসী হও এবং সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করো।

৩. মূল্যবোধ এবং চরিত্র গঠন: পড়াশোনার পাশাপাশি তোমাদের ভালো মানুষ হতে হবে। বড়দের সম্মান করা, বন্ধুদের সাহায্য করা এবং পরিবেশের প্রতি যত্ন নেওয়া—এই মূল্যবোধগুলো তোমাদের চরিত্রের ভিত্তি হওয়া উচিত।

আজকের এই দিনটি আনন্দের, তবে এর গুরুত্বও অনেক। মনে রাখবে, তোমরা শুধু শিক্ষার্থী নও, তোমরা ভারতমাতার ভবিষ্যৎ নির্মাতা। নেহরুর দেখানো পথে এগিয়ে চলো এবং দেশ ও দশের জন্য ভালো কিছু করার স্বপ্ন দেখো।

সবাইকে শিশু দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা! জয় হিন্দ!

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More