গরমেও মাঝে মধ্যে কফি খাচ্ছেন? শরীরে কেমন প্রভাব পড়ছে জানেন কি
কফি খেলে শরীরে কেমন প্রভাব পড়ে? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা?
কফি খাওয়া কি শরীরের জন্য খারাপ? নাকি এটি শরীরের কোনও উপকার করে?

উত্তর যাই হোক না কেন, সারা বছরই অনেকেই কফি খান। এবং কফি খাওয়ার সময়ে তাঁরা ভালো-মন্দের কথা ভাবেনও না। ভালো লাগে বলেই খান। কিন্তু শরীরের উপর এর কেমন প্রভাব পড়ে? কী বলছে হালের গবেষণা?
সম্প্রতি Nutrients Journal-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে কফির প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কী বলা হয়েছে সেখানে?
- নিয়মিত কফি খেলে gastrin হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে। এটি খাবার হজম করাতে সাহায্য করে। ফলে যাঁরা শীতে রোজ কফি পান করেন, তাঁদের পেটের গণ্ডগোলের আশঙ্কা কমে। এছাড়াও কফি cholecystokinin নামের একটি হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে খাবারের পুষ্টিগুণ বেশি মাত্রায় ঢোকে শরীরে।
- পেটের ভিতরে যে ব্যাকটিরিয়াগুলি খাবার হজম করতে সাহায্য করে, পেটের কাজকর্ম স্বাভাবিক রাখতে সাহাস্য করে, কফি সেগুলির স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ফলে পেটের সার্বিক উন্নতি হয়।
- শীতে অনেকেরই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হয়। জল কম খাওয়া, অ্যাসিডিটির সমস্যা বেড়ে যাওয়ার ফলে কোষ্ঠের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সব সমস্যার পরিমাণই অনেক কমিয়ে দেয় কফি। যাঁরা শীতকালে রোজ কফি খান, তাঁদের পেট পরিষ্কার থাকে।
কফি কিছু ক্ষেত্রে শরীর শুকিয়ে দেয়, কারও কারও অ্যাসিডের মাত্রাও বাড়ে। কিন্তু সার্বিক ভাবে বিচার করলে কফি পেটের জন্য খুবই ভালো। এমনই বলছে, হালের গবেষণা।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


