Cracked Heels Care: শীতের ফাটা গোড়ালি ঠিক হবে ১৫ দিনে, যদি মেনে চলেন এই ৯ টিপস
দেখুন গোড়ালি ফাটার সমস্যায় কী করবেন!
শীতের এই সময় গোড়ালি ফাটার সমস্যা বাড়াবাড়ি আকার নেয়। কারও গোড়ালি এত বাজেভাবে ফেটে যায় যে পা থেকে রক্ত পড়তে থাকে। কেউ আবার ফাটা গোড়ালির সমস্যার কারণে মেঝেতে পা ফেলতে পারেন না! আর লোকলজ্জার ভয় তো আছেই। মূলত ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারিতে এই সমস্যা বেশি হয়। চলুন সবার আগে জেনে নেই কেন গোড়ালি ফেটে যায়।

গোড়ালি ফাটার অন্যতম কারণ হল ঠান্ডা মেঝেতে খালি পায়ে হাঁটাচলা করা! থাইরয়েডের সমস্যা যাঁদের আছে, তাঁদেরও গোড়ালি বেশি ফেটে যায়। পায়ের পাতা ভালোভাবে পরিষ্কার না করা, ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়াও অন্যতম কারণ। শরীরে খনিজ, ভিটামিন এবং অন্যান্য পুষ্টির অভাবেও এই সমস্যা হয়ে থাকে।
কী করবেন
- রোজ স্নানের সময় পিউমিক স্টোন দিয়ে গোড়ালি পরিষ্কার করে নিন। এরপর স্নান করে সারা গায়ে যখন ময়েশ্চারাইজার মাখবেন, তা মাখুন পায়ের পাতার ওপরে ও নীচে। এবার পরে ফেলুন মোজা।
- রাতে শোওয়ার সময় ফুট ক্রিম ব্যবহার করুন।
- সপ্তাহে দু' থেকে তিন দিন গরম জলে পা চুবিয়ে রেখে পরিষ্কার করে নিন।
- গ্লিসারিন আর গোলাপ জল মিশিয়ে ঘরোয়া প্যাক বানিয়ে সেটাও ফাটা গোড়ালিতে ব্যবহার করতে পারেন। লাগাতে পারেন নারকেল তেলও।
- ডায়াবেটিসের রোগীরা পা ফেটে গিয়ে রক্ত বের হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
- বেশি করে জল খাবেন।
- ঘরে সবসময় জুতো ব্যবহার করুন ও পায়ের পাতা পরিষ্কার রাখুন।
- পাকা কলা চটকে তার সাথে মধু আর অ্যাভোকাডো মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে তা পায়ে লাগাতে পারেন।
- চালের গুঁড়া, মধু, লেবুর রস, দুধের সর দিয়ে ঘরোয়া স্ক্রাব তৈরি করে নিন। এই প্যাক লাগিয়ে খানিকক্ষণ রাখুন। শুকনো হয়ে গেলে ঘষে ঘষে তুলে নিন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


