How to Control Cholesterol: কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে চান, এই ৭টি ফল খেলেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে এই সমস্যা
নানা কারণে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে। কিন্তু এমন কয়েকটি ফল রেয়েছে, যেগুলি খেলে নিজে থেকেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে এই সমস্যা।
হালে তীব্রভাবে বাড়ছে হৃদরোগের পরিমাণ। অনেকেই খুব কম বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর জন্য দায়ী কোলেস্টেরল। খাদ্যাভ্যাসের সমস্যা, জীবনযাপনের সমস্যার কারণে অনেকের শরীরেই কোলেস্টেরল বেড়ে যায়। কী করে এই কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবেন, তা নিয়েও নানা সন্দেহ থাকে।

যদিও এই সমস্যার একটি সহজ সমাধান আছে। কয়েকটি ফল নিয়মিত খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে কোলেস্টেরলের সমস্যা। দেখে নেওয়া যাক, সেগুলি কী কী।
- লেবু: যে কোনও ধরনের লেবুতেই প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এটি যেমন রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়, তেমনই কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাছাড়া রোজ নিয়ম করে লেবু খেলে হৃদরোগের আশঙ্কাও কমে যায় অনেকটা।
- আপেল: হৃদরোগের আশঙ্কা যে সব রোগীর আছে, তাঁদের এই ফলটি খেতে বলা হয়। কারণ এর কিছু উপাদান হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়। ব্লকেজের পরিমাণও কমায়। এটি একই সঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- কিউয়ি: শরীরে দু’ধরনের কোলেস্টেরল থাকে। একটি শরীরের জন্য ভালো। অন্যটি খারাপ। এই ফলটি প্রথম শ্রেণীর কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। তাতে ভালো থাকে হার্টি।
- আঙুর: প্রচুর ফাইবার থাকে এতে। তাই এটি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে এটি।
- স্ট্রবেরি: শীতে প্রচুর স্ট্রবেরি পাওয়া যায়। রোজ জলখাবারে একটি-দু’টি স্ট্রবেরি খেলে প্রচুর উপকার পাওয়া যায়। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। তাছাড়া ওজন কমে। ত্বকের উপকার হয়।
- অ্যাভোকাডো: কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এটি ম্যাজিকের মতো কাজ করে। রোজ এই ফলটি খেলে মাত্র কয়েক সপ্তাহেই কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেকখানি কমে যায়।
- বেরি: ব্লুবেরি, ব্ল্যাকবেরি, র্যাস্পবেরির মতো যে কোনও বেরিতেই প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এটিও কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ব্যাপক সাহায্য করে। এগুলি নিয়মিতে খেলে কমে হৃদরোগের আশঙ্কা।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


