Side-Effects of Coffee: শীতের দিনে কফির কাপে চুমুক? শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে না তো
শীতের সকালে বা দুপুরে গরম কফির কাপে চুমুক দিলে ঠান্ডা যেন অনেকটা কেটে যায়। আরাম লাগে। কিন্তু এই আরামের কারণে শরীরের কোনও ক্ষতি হচ্ছে না তো?
শীতকালে কফি খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। শীতের সকাল বা সন্ধ্যায় গরম কফির কাপে চুমুক দিলে শীতটা আরও আরামদায়ক হয়ে ওঠে। কিন্তু এই কফির কি সবই ভালো? নাকি এই গরম কফি কোনও ক্ষতিও করতে পারে?

হালে আমেরিকার ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা শরীরের ওপর কফির প্রভাব নিয়ে একটি গবেষণা চালিয়েছেন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কফি খেলে মূত্রের উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলে শরীর থেকে অনেকটা জল বেরিয়ে যায়। আর তাতেই শরীর শুকিয়ে যায়।
কিন্তু এখানেও দুটো বিষয় আছে। এই সমস্যা কার ক্ষেত্রে কতটা হবে, তা নির্ভর করছে তিনি নিয়মিত কফি খান, নাকি মাঝেসাঝে কফি খান— তার ওপর।
- যাঁরা নিয়মিত কফি খান: যাঁরা প্রতি দিনই দু’ থেকে চার কাপ কফি খান, তাঁদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা তুলনায় কম হয়। তাঁদের শরীর কফির বিভিন্ন উপাদানের সঙ্গে ধাতস্থ হয়ে যায়। ফলে কফি পানের পরে শরীর থেকে খুব বেশি জল বেরিয়ে যায় না। গবেষণা বলছে, কফি খাওয়ার অভ্যাস যত বাড়তে থাকে, ততই কমতে থাকে শরীর শুকিয়ে যাওয়ার পরিস্থিতিও। তাই যাঁরা সারা বছরই সকালে কফি পান করেন, তাঁদের এই সমস্যা কম হয়।
- যাঁরা মাঝেমধ্যে কফি খান: আলেকালে কফি খেলে শরীর শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা বাড়তে থাকে। সেক্ষেত্রে শরীরে মূত্র উৎপাদন বেড়ে যায়। হঠাৎ করে একদিন দু’-তিন কাপ কফি খেয়ে ফেললে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা হতে পারে এমন অনেকের ক্ষেত্রেই। এই ধরনের মানুষদের তাই শীতকালে কফি এড়িয়ে যাওয়াই উচিত। এমনই বলা হচ্ছে গবেষণা। অথবা কফি খাওয়ার আগে এবং পড় বেশি মাত্রায় জল খাওয়া উচিত।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


