Health Benefits of Lentils: ডাল খেলে কি ইউরিক অ্যাসিড বাড়তে পারে? কী বলছেন চিকিৎসকরা

Health Benefits of Lentils: ডাল খেলে কি কোনও সমস্যা হতে পারে? ডাল নিয়ে কয়েকটি ধারণা ঠিক নাকি ভুল— কী বলছেন চিকিৎসকরা?

Published on: Apr 22, 2026, 10:01:44 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Health Benefits of Lentils: ডাল আমাদের অনেকেরই রোজকার পাতের সঙ্গী। ডাল খেলে নানা ধরনের উপকার পাওয়া যায়। একথা অনেকেই জানেন। কিন্তু ডালের নানা সমস্যার কথাও বলেন অনেকে। তার কতগুলি ঠিক, কতগুলিই বা ভুল?

ডাল খেলে কি ইউরিক অ্যাসিড বাড়তে পারে? কী বলছেন চিকিৎসকরা
ডাল খেলে কি ইউরিক অ্যাসিড বাড়তে পারে? কী বলছেন চিকিৎসকরা

ডায়াবিটিসে আক্রান্তরা কি ডাল খেতে পারেন?

ডালের glycemic index খুব একটা বেশি নয়। বিশেষ করে মুসপর ডালের তো glycemic index বেশ কম। রক্তের শর্করার মাত্রা বাড়ার বড় কারণ এই glycemic index। এটি কম থাকা মানে, সেই খাবারটি ডায়াবিটিসের সমস্যা বাড়ায় না। তাই ডায়াবিটিসে আক্রান্তরা সহজেই ডাল খেতে পারেন।

অন্তঃসত্ত্বারা মুসুর ডাল খেতে পারেন?

এতে প্রচুর আয়রন থাকে। ফলে অন্তঃসত্ত্বা মুসুর ডাল খেলে উপকার পাবেন। তাছাড়া মুসুর ডালের কিছু উপাদান গর্ভে সন্তানের স্নায়ুর বিকাশে সাহায্য করে।

কিডনির সমস্যা থাকলে ডাল খাওয়া যায় কি?

সব ধরনের ডালেই প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। ফলে এগুলি কিডনির ক্ষতি তো করেই না, উল্টে কিডনির প্রচুর উপকার করে। ফলে যাঁদের কিডনির সমস্যা আছে, তাঁরা ডাল খেতেই পারেন।

ডাল কি ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়?

ডাল সম্পর্কে অনেকেরই এই প্রশ্নটি থাকে। কিন্তু চিকিৎসকের কথায়, এটি একেবারেই ঠিক ধারণা নয়। ডাল খেলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা মোটেই বাড়ে না। ডালে উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের মাত্রা বেশ বেশি। সহজে হজম হয় ডাল। ফলে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ে না ডাল খেলে।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More