What Happens If You Eat Too Much Salt: বেশি নুন খাওয়া হয়ে গিয়েছে? কোন কোন খাবার শরীরে লবনের মাত্রা কমাতে পারে
অল্প নুন শরীরের জন্য দরকারি। কিন্তু নুন বেশি শরীরের অনেক ধরনের ক্ষতি করতে পারে। বেশি নুন খেয়ে ফেললে সামলাবেন কী করে?
অনেক সময়ে রান্নায় বেশি নুন পড়ে যায়। বা প্রয়োজনের তুলনায় নুন বেশি খাওয়া হয়ে যায়। এটা শরীরের জন্য মোটেই ভালো নয়। কারণ অল্প নুন যেমন খুবই দরকারি, তেমনই অতিরিক্ত নুন স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

যে কোনও প্রাপ্তবয়স্কের জন্য রোজ এক চামচ নুনই যথেষ্ট। শরীরে সোডিয়ামের চাহিদার অনেকেটাই তাতে পূরণ হয়ে যায়। এর বেশি নুন খেলে কী কী সমস্যা হতে পারে?
- মূত্রের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে
- রক্তচাপ মারাত্মক ভাবে বেড়ে যেতে পারে
- হার্টের উপর প্রচণ্ড চাপ পড়তে পারে, তাতে হৃদরোগের আশঙ্কাও বেড়ে যায়
- প্রচণ্ড ঘাম হতে পারে
- শরীর ফুলে যেতে পারে
- পেটের গণ্ডগোল হতে পারে
এছাড়া বিভিন্ন জীবাণুকে মারতে পারে নুন। ফলে শরীরে বেশি নুন গেলে, শরীরে থাকা উপকারী ব্যাকটিরিয়া মারা যেতে পারে। ফলে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
কিন্তু অনেক সময়েই অতিরিক্ত নুন খাওয়া হয়ে যায়। সেই পরিস্থিতিতে শরীর থেকে অতিরিক্ত লবন দূর করতে কী করবেন? রইল কয়েকটি খাবারের সন্ধান। এগুলি অতিরিক্ত লবন দূর করতে সাহায্য করবে।
- কলা: বেশি নুন খাওয়া হয়ে গিয়েছে? তাহলে ঠিক তার পরেই একটা কলা খেয়ে নিন। এতে হৃদরোগের আশঙ্কা কমবে। কলার পটাসিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করবে।
- দই: এটিও পটাসিয়ামে ভর্তি। বেশি নুন খেয়ে ফেললে, তার পরে কিছুটা দই খেয়ে নিতে পারেন। তাতেও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। হৃদরোগের আশঙ্কা কমবে। তাছাড়া বেশি নুন খেয়ে ফেললে জিভ বিস্বাদ হয়ে যায়। সেই সমস্য়াও কাটিয়ে দিতে পারে দই।
- আদা চা: এটিও সোডিয়ামের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। ঘাম কমায়। ফলে শরীর শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। শরীর ফুলে গেলে, সেটাও কমায় এই চা।
- কিউয়ি: এটিতেও প্রচুর পটাসিয়াম। বেশি নুন খেয়ে ফেললে সোডিয়ামের মাত্রা কমাতে এটি দারুণ কাজ করে। মুখের স্বাদও দ্রুত ফিরিয়ে আনে এই ফল।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


