How to prevent Alzheimer's disease: ইস্ট্রোজেনের ক্ষরণ না কমলে মহিলাদের অ্যালজাইমার্স ডিজিজের আশঙ্কা কম, বলছে গবেষণা
বেশি বয়সে অনেক মহিলাদেরই স্মৃতিশক্তি কমতে থাকে। এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে হরমোনের। তেমনই বলছে গবেষণা।
বর্তমানে অ্যালজাইমার্স ডিজিজ নিয়ে সচেতনতা অনেকটাই বেড়েছে। যদিও এই রোগের সঠিক চিকিৎসা এবং এর নিরাময়ের রাস্তা এখনও অজানা। তবু নিরন্তর কাজ চলছে রোগটির কারণ খুঁজে বার করার এবং রোগটিকে কীভাবে প্রতিহত করা যায়, তা জানার।

একটু বেশি বয়সে (৬০-এর ঊর্ধ্বে) অনেকেরই অ্যালজাইমার্স ডিজিজের কারণে স্মৃতিশক্তি হ্রাস হতে থাকে। কিন্তু এই হ্রাস কমানোর কোনও ওষুধ এখনও নেই। কিন্তু এ মধ্যেই অ্যালজাইমার্স ডিজিজের সঙ্গে হরমোনের একটা সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
হালে নিউরোলজি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে একটি গবেষণাপত্র। সেখানে কয়েক জন বিজ্ঞানী দাবি করেছেন, মহিলাদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা বাড়লে অ্যালজাইমার্স ডিজিজের আশঙ্কা কমে। MRI Scan-সহ আরও বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন তাঁরা। ৯৯ জন মহিলা, যাঁদের প্রত্যেকের বয়স ৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে— তাঁদের নিয়ে এই গবেষণা চালানো হয়। সেখানেই দেখা যায়, যাঁদের শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বেশি, তাঁদের এই সমস্যাও কম।
কেন এমন হয়? বিজ্ঞানীরা বলেছেন, অ্যালজাইমার্স ডিজিজের অন্যতম কারণ মস্তিষ্কের গ্রে সেল নষ্ট হয়ে যাওয়া। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই এই সমস্যা হতে থাকে। কিন্তু মহিলাদের ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন হরমোন এটাই আটকে দেয়। ফলে অ্যালজাইমার্স ডিজিজের আশঙ্কা কমে।
তবে এখনও পর্যন্ত এই গবেষণাটা পর্যবেক্ষণ স্তরেই রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়িয়ে এই রোগ আটকানোর মতো ঘটনা ঘটেনি। ভবিষ্যতে এর মাধ্যে অ্যালজাইমার্স ডিজিজের চিকিৎসা করা যায় কি না, তাও খুঁটিয়ে দেখছেন বিজ্ঞানীরা। তবে সেটি হলেও শুধুমাত্র মহিলাদের ক্ষেত্রেই হবে। পুরুষদের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত এমন কোনও হরমোনের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়নি।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


