Hairfall Remedies Diet: চুল পড়ার সমস্যা কমাতে কোন কোন খাবার রোজের ডায়েটে রাখতে হবে? কিছু ঘরোয়া টিপস
Hairfall Remedies Diet: স্যালাডে হোক বা চাইনিজ কোনও খাবারে, ক্যাপসিকামের ব্যবহার যদি রোজের ডায়েটে রাখতে পারেন, তাহলে কমে যাবে চুলপড়ার সমস্যা। বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ক্যাপসিকাম সেদ্ধ করে তা পনিরের সঙ্গে খেলেও মিলতে পারে কাঙ্খিত ফলাফল। এরফলে চুলপড়ার সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
Hairfall Remedies Diet: চুলপড়ার সমস্যা অনেককেই উদ্বেগে রাখে। এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের প্যাক ব্যবহার করে থাকেন। অনেকে ডায়েটেও পরিবর্তন আনেন। চুল পড়া এমনই এক অস্বস্তি যে এর থেকে রক্ষা পেতে অনেকে পোথ্যেরও আশ্রয় নেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়েটে যদি কয়েকটি সবজি রাখা যায়, তাহলে তা খুবই উপকারী। শুধু তাই নয়, প্রোটিন জাতীয় খাবারের সমাহারও যাতে ডায়েটে খাকে, তার দিকে অগ্রসর হওয়ার বার্তা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। দেখে নেওয়া যাক ডায়েটে কোন কোন সবজি রাখলে তা ফলদায়ী। চুল পড়া রোখার জন্য।

ক্যাপসিকাম
স্যালাডে হোক বা চাইনিজ কোনও খাবারে, ক্যাপসিকামের ব্যবহার যদি রোজের ডায়েটে রাখতে পারেন, তাহলে কমে যাবে চুলপড়ার সমস্যা। বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ক্যাপসিকাম সেদ্ধ করে তা পনিরের সঙ্গে খেলেও মিলতে পারে কাঙ্খিত ফলাফল। এরফলে চুলপড়ার সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
ডিম
প্রোটিনের সবচেয়ে উৎস হল ডিম। ডিম চুলপড়া রোধে খুবই কার্যকরী। তবে শুধু চুলে ডিমের কুসুম লাগালেই সমস্যা মিটবে না। খেতেও হবে ডিম। রোজ ডিম যদি ডায়েটে থাকে, তাহলে কেটে যেতে পারে চুল পড়ার সমস্যা।
মাছ
ভিটামিন বি ২, ওমেগা ৩, ভিটামিন ডি, ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে মাছে। এছাড়াও ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের আধার হল মাছ। তাই মাছ খেলেই চুলের মান বাড়তে থাকে, তাঁর চুলও বড় হয়। কেটে যায় চুল পড়ার সমস্যা।
মুসুর ডাল
সমস্ত ডালেই থাকে প্রোটিন। তবে সবচেয়ে বেশি প্রোটিন থাকে মুসুরের ডালে। তাই এই ডাল খেলে চুল খুবই ভালো হয়। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার মুসুরের ডাল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে আপনার হেয়ার ফলের সমস্যা কেটে যায়।
রাঙা আলু
এছাড়াও রাঙা আলু খেলে কেটে যায় চুল পড়ার সমস্যা। চুল পড়ার সমস্যা থেকে বাঁচতে রাঙা আলু রোজই ডায়েটে রাখা ভাল। বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


