Tonsil Pain Remedies: টনসিলে ব্যথা হচ্ছে? ঘরোয়া উপায়ে দূর করবেন কী করে

শীতে তো বটেই, গ্রীষ্মেও অনেকের টনসিলের ব্যথা হয়। কী করে এই ব্যথা কমাবেন?

Published on: Jan 30, 2026, 10:46:44 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এখনআবহাওয়া বদলের সময় দেখাদিচ্ছে জ্বরও সর্দি-কাশির সমস্যা। অনেক সময় সর্দি-কাশি ছাড়াও গলার ভিতরে প্রবল ব্যথার অনুভূতি হয়, ঢোক গিলতে গেলে খুব কষ্ট হয়। এই ব্যথা সাধারণত টনসিলে ইনফেকশনের কারণে হয়ে থাকে। এই সমস্যা যে কোনও বয়সে, যে কোনও সময়ে হতে পারে। টনসিলের এই সমস্যায় অবশ্যই নজরদিতে হবে।

টনসিলে ব্যথা হচ্ছে? ঘরোয়া উপায়ে দূর করবেন কী করে
টনসিলে ব্যথা হচ্ছে? ঘরোয়া উপায়ে দূর করবেন কী করে

গলার দু’পাশে উপরের দিকে গোলাকার পিণ্ডের মতো যেটি দেখা যায়, সেটাই হল টনসিল। এটি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি কোষ বা টিস্যু। গলা, নাক, কিংবা মুখ হয়ে শরীরে প্রবেশ করা জীবাণু বাভাইরাসই দায়ী, টনসিলের সংক্রমণের জন্যে।এই সংক্রমণের ফলে যদি টনসিলে প্রবল ব্যথা হয় তখন ওষুধ কিংবা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াদরকার। তবে ওষুধ না খেয়েও টনসিলের এই ব্যথা ঘরোয়া কিছু উপায় দিয়ে সারিয়ে তোলা সম্ভব।

নুন-জলে গার্গল: সামান্যগলা ব্যথা শুরু হলে যে কাজটি প্রথমেই করা উচিত, তা হল সামান্য উষ্ণ গরম জলে নুন দিয়ে কুলকুচিঅথবা গার্গল করা। নুন টনসিলের সংক্রমণ রোধ করে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, উষ্ণ নুন-জল দিয়ে গার্গল করলে গলায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও অনেকটাই কমে যায়।

আদা চা: এক কাপ জলে এক চামচ আদা কুচি আর দুইচামচ চা দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। দিনে অন্তত ২-৩ বার এটি পান করুন। আদার অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি ইনফালামেন্টরি উপাদান টনসিলের সংক্রমণে বাধা দেয়। এর সঙ্গে সঙ্গে গলার ব্যথা কমিয়ে দিতেও এটি অত্যন্ত কার্যকরী।

মধু সহযোগে গ্ৰিনটি: এক কাপ গরম জলে আধা চামচ গ্ৰিন টি আর এক চামচ মধু দিয়ে ১০-১২ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এবার ধীরে ধীরে চুমুক দিয়ে ওই চা পান করুন। গ্ৰিন টিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা সব রকম ক্ষতিকর জীবাণু নির্মূল করে। দিনে ৩ থেকে ৪ কাপ এই মধু-চা পান করুন, উপকার পাবেন।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More