Healthy Food Tips: কত বার জ্বাল দিচ্ছেন দুধ? বার বার জ্বাল দিলে দুধের গুণ নষ্ট হয়ে যায় কি
Healthy Food Tips: দুধ কত বার পর্যন্ত জ্বাল দেওয়া উচিত? কী বলছেন চিকিৎসকরা?
Healthy Food Tips: দুধ কিনে আনার পরে অনেকেই গরম করে নেন। একে প্রচলিত ভাষায় বলা হয়, দুধ জ্বাল দেওয়া। জ্বাল দেওয়ার পরে দুধ ঠান্ডা করে, সেটিকে ফ্রেজ রেখে দেওয়া হয়। কিন্তু কত বার পর্যন্ত দুধ জ্বাল দেওয়া উচিত? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা?

কেন দুধ জ্বাল দেওয়া হয়, সেটি প্রথমে জেনে নেওয়া উচিত।
দুধে অনেক ধরনের জীবাণু থাকে। সেগুলি পেটে গেলে সমস্যা হতে পারে। তাছাড়া সেই দুধ বাড়িতে রেখে দিলে জীবাণুর কারণে সেটি তাড়াতাড়ি নষ্টও হয়ে যেতে পারে। তাই দুধ জ্বাল দেওয়া হয়।
কিন্তু জানেন কি প্যাকেটের যে দুধ বিক্রি হয়, তাতে ওই জাতীয় কোনও জীবাণু থাকে না। অধিকাংশ প্যাকেটের দুধই আগে থেকে জ্বাল দেওয়া থাকে। তাই গোড়াতেই সেটিকে জ্বাল না দিলেও হয়।
কিন্তু কত বার দুধ জ্বাল দেবেন, সে বিষয়েও বলে দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের কথায়, দুধ বেশি মাত্রায় জ্বাল দিলে তার পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। সেটি খেলে শরীরের ক্ষতিও হতে পারে। তাই দুধ ২ থেকে ৩ বারের বেশি জ্বাল দেওয়া উচিত নয়। তার মধ্যেই সব দুধ শেষ করে ফেলা উচিত। আর পুরনো জ্বাল দেওয়া দুধের সঙ্গে নতুন কেনা দুধ মেশাতেও নেই।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


