Home Remedies for Acidity: ওষুধ না খেয়েও কমাতে পারেন অ্যাসিডিটির সমস্যা, কীভাবে জানেন
অ্যাসিডিটির সমস্যা কমানোর জন্য দীর্ঘ দিন ধরে ওষুধ খাওয়া মোটেই ভালো নয়। বরং ঘরোয়া কিছু উপায়ে এর প্রতিকার করুন।
গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যা নেই, এমন লোক খুব কমই পাওয়া যাবে। নিয়মিত ওষুধ তো খান, তবুও অফিসে কিংবা কাজকর্মে যাওয়ার সময় সঙ্গে অ্যাসিডিটির ওষুধও নিয়ে যান। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে অ্যাসিডিটির ওষুধ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। এবং এতে ফলও তেমন পাওয়া যায় না। তাই ওষুধের উপর নির্ভরশীল না হয়ে খাবারের দিকে মনযোগ দিন। যে খাবার গ্যাস্ট্রিক দূর করতে সাহায্য করে, সেগুলো খাবারের তালিকায় রাখুন। খাওয়া-দাওয়ায় অনিয়ম, স্বাস্থ্যকর খাবার না খাওয়া, শারীরিক পরিশ্রম না করা, জল কম খাওয়ার ফলে পেটে গ্যাস তৈরি হতে পারে। প্রথম দিকেই সচেতন না হলে পরবর্তী সময়ে আলসার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এবার জেনে নিন, কোন কোন খাবার দ্রুত অ্যাসিডিটি কমায়।

পুদিনা পাতা: পুদিনা পাতার বায়ুনিরোধক ও পেট ঠান্ডা করার গুণ দ্রুত বুক ও পেট জ্বালাপোড়া করা, পেট ফাঁপা ও বমি ভাব উপশম করে। তাই অ্যাসিডিটির লক্ষণ দেখা দিলেই কয়েকটি পুদিনা পাতা মুখে নিয়ে চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে পারেন বা এক কাপ জলে ৪-৫ টি পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খেতে পারেন বা চাইলে তাতে একটু মধুও যোগ করতে পারেন।
গরম জল: সাধারণত গরম জল রাতে ঘুমানোর আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
আদা: আদার রস পাকস্থলীর অ্যাসিডকে কমাতে সাহায্য করে। অ্যাসিডিটির সময় এক টুকরো আদা মুখে রাখলে বা এক কাপ জলে কয়েক টুকরো আদা দিয়ে কিছু ক্ষণ ফুটিয়ে রেখে খেতে পারেন কিংবা শুধু এক চা চামচ করে আদার রস দিনে ২-৩ বার খেলে অ্যাসিডিটির থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
জিরে: পাকস্থলীর অ্যাসিডকে নিরপেক্ষ করে পেটের ব্যাথা দূর করতে এবং হজমের কাজে জিরে চমৎকার কাজ করে। দেড় কাপ জলে এক চা চামচ করে জিরে-ধনে ও মৌরী গুঁড়ো এবং সামান্য চিনি মিশিয়ে খালি পেটে খেতে পারেন অথবা এক গ্লাস জলে সামান্য জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে বা ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে প্রতিবেলা খাবার পর খেতে পারেন। অনেক উপকার পাবেন।
লবঙ্গ: লবঙ্গ পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি ও গ্যাস দূর করতে পারে। ২-৩ টি লবঙ্গ মুখে নিয়ে রাখলে বা সমপরিমান এলাচ ও লবঙ্গ গুঁড়ো উষ্ণ জলে মিশিয়ে খেলে অ্যাসিডিটির জ্বালা এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।
এই টোটকা নিয়মিত ব্যবহার করেও যদি স্বাস্থ্যের উন্নতি না হয় তাহলে অবশ্যই চিকির পরামর্শ নিন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


