শীতকালে সপ্তাহের পর সপ্তাহ সতেজ থাকবে ধনে পাতা, জেনে নিন কীভাবে রাখবেন
প্রতি সিজনে ধনে পাতা খাবারের স্বাদ ও গন্ধ বাড়াতে সাহায্য করে। ধনে পাতা খেলে স্বাস্থ্যেরও অনেক উপকার হয়, কিন্তু এটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। আসুন জেনে নিই এটি সংরক্ষণের উপায়।
শীত হোক বা গ্রীষ্ম, ধনে পাতা প্রতি সিজনে খাওয়া হয়। এটি খেলে স্বাস্থ্যের অনেক উপকার হয় এবং এটি সবজি-ডালের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়। বেশিরভাগ মানুষ ধনে পাতা ফ্রিজে সংরক্ষণ করে, যাতে এটি সবুজ থাকে। কিন্তু শীতকালে কয়েক দিনের মধ্যেই এর পাতা হলুদ হয়ে যায়। আপনিও যদি ধনে পাতা নষ্ট হয়ে যাওয়া নিয়ে বিরক্ত হয়ে থাকেন, তাহলে এটি সংরক্ষণের সঠিক উপায় আমরা আপনাকে জানাতে চলেছি।

না ধুয়ে: বাজার থেকে ধনে পাতা আনার পর ধোয়ার ভুল করবেন না। ধোয়ার ফলে জল লেগে থাকে এবং তারপর এটি পাতা পচিয়ে দেয়। যদি ধোন, তাহলে ভালোভাবে শুকিয়ে রাখুন। নইলে ধনে দুই দিনেই নষ্ট হয়ে যাবে।
এয়ার টাইট বাক্স: আপনি ধনে পাতা এয়ার টাইট বাক্সে বন্ধ করে রাখতে পারেন। এয়ার টাইট বাক্সে ধনে পাতা নষ্ট হবে না এবং পাতা হলুদ হবে না।
টিস্যু পেপার: আপনি টিস্যু পেপার ধনে পাতার উপর মুড়ে দিতে পারেন। এতেও ধনে পাতা সবুজ থাকবে এবং এটি ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।
প্লাস্টিক: আপনি ধনে পাতা প্লাস্টিকেও বেঁধে রাখতে পারেন। শুধু এতে জল থাকা উচিত নয়। প্লাস্টিকে জল থাকলে ধনে পাতা নষ্ট হয়ে যাবে।
অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল: ধনে পাতা সতেজ রাখতে আপনি অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ব্যবহার করতে পারেন। অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে ধনে পাতা ভালোভাবে মুড়িয়ে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। সপ্তাহে সপ্তাহে এটি সবুজ থাকবে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


