Weight Loss: জল খেয়েই কমবে ওজন, শুধু মেশান এই বিশেষ জিনিসটি! সঙ্গে মেনে চলুন কটা দরকারি টিপস
শীত পড়লেই একটু বেশি খাওয়া-দাওয়া, ঠান্ডার কারণে কসরতে অনাগ্রহের কারণে বাড়িয়ে ফেলে ওজন। এক্ষেত্রে আপনার মুশকিল আসান করতে পারে এই সুপার ফুড।
শীত মানেই পিঠে-পুলি-পায়েস-কেক! সঙ্গে পিকনিক তো আছেই। যার ফলে বেড়ে যাচ্ছে ওজন। আর এই ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন আপনি খুব সহজে, শুধু জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে একটি বিশেষ জিনিস। কী সেটা? চিয়া সিডস। সুপার ফুড হিসেবে ধরা হয় চিয়া সিডকে। সেলেবরাও জমিয়ে খান এই বীজ। আপনিও রাখুন নিজের ডায়েটে, তবে তার আগে জেনে নিতে হবে খাওয়ার সঠিক নিয়ম কী।

ওজন কমতে অনেকেই বর্তমানে চোখ ভরসা করেন চিয়া সিডসে। সত্যিই কি এটি কার্যকারী? আসলে এই বীজে প্রচুর ফাইবার ও প্রোটিন পাওয়া যায়। সঙ্গে এটিতে পাওয়া যায় ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। দেখে নিন কীভাবে আপনাকে এটি সাহায্য করবে ওজন কমাতে।
চিয়া সিডস আপনাদের হজম ক্ষমতা উন্নত করে। এতে থাকা উচ্চ মাত্রার ফাইবার পেট দীর্ঘক্ষণ পেট ভরাও রাখে। বারবার খিদে পাওয়ার প্রবণতাও কমায়, চিয়া সিডসে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিডের কারণে এমনটা হয়। ওয়ার্ক আউটের পর অনেকেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তাঁরা তৎক্ষণাৎ এনার্জির যোগান দিতে জলে ভেজানো চিয়া সিডস পান করতে পারেন।এতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম, ট্রিপটোফেন অ্যাসিড ঘুমেও সাহায্য করে।
কীভাবে বানাবেন চিয়া সিডস ভেজানো জল?
এক গ্লাস জলে এক-দুই চা চামচ চিয়া সিডস ভিজিয়ে রাখুন সারা রাত। এবার সকালে উঠে খালি পেটে তা পান করুন। একটু সামান্য গরম জল আর লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন।
ব্রেকফাস্টেও রাখতে পারেন চিয়া। এক্ষেত্রে ১ কাপ দুধ নিয়ে তাতে ২ চামচ চিয়া সিডস সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। দুধ খেতে না চাইলে আমন্ড বা সোয়া মিল্কও নিতে পারেন, অথবা দই। সকালে দেখবেন একেবারে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। এবার তাতে স্বাদ বাড়াতে মেশাতে পারেন পছন্দের ফল ছোট টুকরো করে কাটা আর ড্রাই ফ্রুটস। ঠান্ডা অবস্থায় খেলে পুডিংয়ের মতো স্বাদ আসবে।
মনে রাখবেন, পরিমাণ মতো জল না খেলে চিয়া বীজ হজম হতে চায় না। এই বীজ খেলে শরীরে জলের তেষ্টা বাড়ে। ১-২ চামচের বেশি চিয়া সিডস খাবেন না একদিনে। সঙ্গে আপনাকে সারাদিনের কেলোরি ইনটেকও রাখতে হবে কন্ট্রোলে। নয়তো, রোগা হওয়ার ইচ্ছে পূরণ হবে না একেবারেই।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


