Health Benefits of Tamarind: রোজ সামান্য তেঁতুল খান, এমন কিছু উপকার হবে, যেগুলি ভাবতেই পারছেন না
তেঁতুলের অনেক গুণ। রোজ সামান্য পরিমাণে তেঁতুল খেলে বুঝতে পারবেন শরীরের কোন কোন উপকার হচ্ছে।
তেঁতুলের অনেক গুণ। তাই আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এই ফলটিকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তেঁতুলের সবচেয়ে বড় গুণ— এটি ওজন কমাতে ব্যাপক মাত্রায় সাহায্য করে। যাঁদের ওবেসিটির সমস্যা রয়েছে, তাঁরা নিয়মিত তেঁতুল খেলে উপকার পেতে পারেন।

রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ছে? ডায়াবিটিসের আশঙ্কা করছেন? তাহলে রোজ একটু করে তেঁতুল খান। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়, তেঁতুলের কারণে শরীরে কার্বোহাইড্রেট কম মেশে।
রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন? ব্লাড প্রেশার বেড়ে যাচ্ছে? তাহলে অল্প করে তেঁতুল খান। এর আয়রন এবং ভিটামিন বি১ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করবে। এতে হৃদরোগের আশঙ্কাও কমে।
হজমের সমস্যা কমাতেও দারুণ কাজে লাগতে পারে তেঁতুল। যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা রোজ অল্প মাত্রায় তেঁতুল খেলে এই সমস্যা অনেকটাই কমে যায়।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


