Health Benefits of Drinking Water From Copper Vessel: তামার পাত্র থেকে জল খাচ্ছেন? এতে কী কী হচ্ছে জানেন
অনেকেই তামার পাত্র থেকে জল খান। এর কেমন প্রভাব পড়ে শরীরে?
আয়ুর্বেদ অনুসারে, তামার পাত্র থেকে জল পান করা শুধু হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো নয়, হজমশক্তি বাড়ায় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। আরও অনেক রকম উপকার পাওয়া যায় তামার পাত্র থেকে জল পান করলে।

রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে চান? তবে তামার পাত্রে জল রেখে, সেই জল পান করুন।আয়ুর্বেদ বলছে, তামার পাত্রে জল রেখে তা পান করলে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমন থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
তামার পাত্র থেকে জল পান করার অভ্যায় হজমের উন্নতি এবং হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, এবং কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য কাজ করে। এই অভ্যায় আপনার ত্বকের জন্যেও দারুন উপকারি।
তামার পাত্রে রাখা জল কারও কারও খুব সুস্বাদু লাগে। কারণ এতে জল কিছুটা মিষ্টি হয়ে যায়।
আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা স্যোশাল মিডিয়াতে একটি পোস্টে , তামার পাত্রে সংরক্ষিত পানীয় জলের উপকারিতাগুলি বলেছেন। আয়ুর্বেদ অনুসারে তামার পাত্রে রাখা জলের গুণগুলি হল, এই জল হজমের সমস্যা দূর করে। আবার জলকে ঠান্ডা রাখে।
এছাড়াও আরও কিছু উপকারিতার কথাও জানা যায়:
- হজম শক্তি বাড়ায়।
- বার্ধক্যের লক্ষণগুলি কমিয়ে দেয়।
- ওজন কমাতে সাহয্য করে।
- আর্থ্রাইটিস এবং গাঁটের ব্যথা কমায়।
- দ্রুত ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে।
- থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে।
- ত্বকের স্বাস্থ্য এবং মেলানিন উৎপাদন বাড়ায়।
- তামাকে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বলে মনে করা হয়। তাই তামার পাত্রে রাখা জল পান করলে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা বাড়ে।
- এটি হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো।
- উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


