গরম কমতেই বাড়ছে মশা! শিশুদের মশার কামড় থেকে বাঁচাতে কী করবেন

আপনিও কি মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ? বাজার চলতি রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার করতে না চাইলে, আপনার জন্য রইল ৫টি এমন কার্যকরী ঘরোয়া উপায়, যা নিমেষেই আপনার বাড়ি থেকে মশা তাড়াবে।

Published on: Nov 4, 2025, 10:01:29 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সন্ধ্যা নামলেই মশার উপদ্রব বাড়তে শুরু করে। মশার কামড়ে শুধু শরীরে লাল ফুসকুড়ি বা চুলকানিই হয় না, এর থেকে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া এবং চিকুনগুনিয়ার মতো মারাত্মক রোগও হতে পারে। আপনিও যদি মশার জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে থাকেন এবং বাজার চলতি রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার করতে না চান, তাহলে আপনার জন্য রইল ৫টি এমন কার্যকরী উপায়, যা প্রয়োগ করলে মশা আপনার বাড়ি ছেড়ে পালাবে।

শিশুদের মশার কামড় থেকে বাঁচাতে কী করবেন
শিশুদের মশার কামড় থেকে বাঁচাতে কী করবেন

মশা তাড়ানোর টিপস কর্পূর ঘর থেকে মশা তাড়ানোর এটি সবচেয়ে দ্রুত এবং কার্যকরী একটি উপায়। এই প্রতিকারটি করতে, প্রথমে ঘরের দরজা-জানলা বন্ধ করে ২টি কর্পূরের ট্যাবলেট জ্বালিয়ে দিন। এই সহজ উপায়টি প্রয়োগ করলে দেখবেন ১৫ মিনিটের মধ্যে সব মশা পালিয়ে গেছে। প্রতি ২-৩ দিন অন্তর এই উপায়টি ব্যবহার করুন।

লবঙ্গ-লেবুর উপায় এই প্রতিকারটি করতে, ১টি লেবু অর্ধেক করে কেটে তার মধ্যে ১০-১৫টি লবঙ্গ গেঁথে দিন। এবার এই লেবুটি বিছানার পাশে রেখে দিন। লবঙ্গের গন্ধ মশাদের দূরে তাড়াতে সাহায্য করে। এই টোটকাটি ২-৩ দিন পর্যন্ত কার্যকরী থাকে, তারপর আবার নতুন করে তৈরি করুন।

বাড়িতে জানালা বা দরজার কাছে একটি তুলসী গাছ লাগিয়ে রাখুন। তুলসীর গন্ধে মশা ঘরে প্রবেশ করবে না এবং বাতাসও বিশুদ্ধ থাকবে।

৫-৬ কোয়া রসুন পিষে এক লিটার জলে মিশিয়ে রেখে দিন। এবার এই জল ছেঁকে একটি স্প্রে বোতলে ভরে দেওয়াল ও পর্দায় ছিটিয়ে দিন। প্রতি ২ দিন অন্তর এই উপায়টি পুনরাবৃত্তি করুন।

সমপরিমাণে নিম তেল এবং নারকেল তেল মিশিয়ে ঘুমানোর আগে ত্বকে লাগান। এই দুই তেলের মিশ্র গন্ধ আপনাকে মশার উপদ্রব থেকে দূরে রাখবে।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More