ডিম নাকি পনির? ওজন কমাতে চাইলে কোনটি খাবেন
ওজন কমানোর জন্য ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়া কমিয়ে, প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি খেতে হয়। সেক্ষেত্রে এই দু’টির মধ্যে কোনটি ভালো?
বাড়তি ওজন কমাতে চান? ভাবছেন ফ্যাট জাতীয় খাবারের পরিমাণ কমাবেন? কিন্তু তাহলে খাবেন কী?

এই ধরনের ভাবনায় যাঁরা পড়েন, তাঁদের প্রোটিন জাতীয় খাবারের পরিমাণ বাড়তে বলেন চিকিৎসকরা। প্রোটিন জাতীয় খাবার খেলে ওজন বাড়ে না। পাশাপাশি প্রোটিন হজম হতে তুলনায় বেশি সময় লাগে বলে, অনেক ক্ষণ ধরে পেট ভর্তি থাকে। তাই খাওয়ার পরিমাণও কমে।
আমাদের রোজকার চেনা খাবারগুলির মধ্যে ডিম এবং পনির— দু’টিতেই ভালো মানের প্রোটিন রয়েছে। কিন্তু ওজন কমাতে চাইলে, এর কোনটি খাবেন? দেখে নেওয়া যাক।
ডিম
প্রোটিনের জন্য ডিম অত্যন্ত ভালো মাধ্যম। একটি ডিমে প্রায় ৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এছাড়া আরও বহু পুষ্টিগুণ থাকে সিদ্ধ বা পোচ করা ডিমে। দেখে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী:
- প্রোটিন ৫.৫ গ্রাম
- ফ্যাট ৪.২ গ্রাম
- ক্যালসিয়াম ২৪.৬ মিলিগ্রাম
- আয়রন ০.৮ মিলিগ্রাম
- ম্যাগনেসিয়াম ৫.৩ মিলিগ্রাম
- ফসফরাস ৮৬.৭ মিলিগ্রাম
- পটাসিয়াম ৬০.৩ মিলিগ্রাম
- জিংক ০.৬ মিলিগ্রাম
- কোলেস্টেরল ১৬২ মিলিগ্রাম
- সেলেনিয়াম ১৩.৪ মাইক্রোগ্রাম
পনির
প্রোটিনের জন্য পনিরও দারুণ। এছাড়াও এতেও রয়েছে বহু ধরনের পুষ্টিগুণ এবং ভিটামিন। ৪০ গ্রাম লো-ফ্যাট পনিরে কী কী উপাদান রয়েছে, দেখে নেওয়া যাক সেগুলি:
- প্রোটিন ৭.৫৪ গ্রাম
- ফ্যাট ৫.৮৮ গ্রাম
- কার্বোহাইড্রেট ৪.৯৬ গ্রাম
- ফোলেট ৩৭.৩২ মাইক্রোগ্রাম
- ক্যালসিয়াম ১৯০.৪ মিলিগ্রাম
- ফসফরাস ১৩২ মিলিগ্রাম
- পটাসিয়াম৫০ মিলিগ্রাম
ডিম নাকি পনির— কোনটি বেশি ভালো?
দু’টিই অত্যন্ত পুষ্টিকর। ওজন কমাতে চাইলে, এই দু’টিই সাহায্য করতে পারে। তবে ডিম এবং পনিরে কিছু আলাদা আলাদা ভিটামিন রয়েছে। যাঁদের যে ধরনের ভিটামিন বেশি দরকার, তাঁরা সেটি খেতে পারেন।
যাঁরা ডিম খান, তাঁরা পনিরও খেতে পারেন। তাতে কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু যাঁরা ডিম খান না, তাঁদের একটু বেশি মাত্রায় পনির খাওয়া উচিত। তবে চিকিৎসকদের মতে, যদি ওজন কমানোটিই একমাত্র লক্ষ্য হয়, তাহলে ডিমের চেয়ে পনির খাওয়াটা কিছুটা বেশি লাভজনক।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


