Exotic Fruits in India: আপনার বাড়ির পাশের গাছেই ধরে এই ফলগুলি, অনেকেই জানেন না এগুলির দারুণ গুণ

Exotic Fruits in India: আমরা আপেল বা স্ট্রবেরির মতো ফলের গুণগান সারাক্ষণ করি। কিন্তু ভারতীয় বেশ কিছু ফল এগুলির থেকে অনেক বেশি পুষ্টিগুণে ভরপুর।

Published on: Apr 19, 2026 7:57 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Exotic Fruits in India: ভারতের মাটিতে বহু ধরনের ফলের গাছ জন্মায়। এগুলির পুষ্টিগুণ পরিচিত যে কোনও ফলের চেয়ে অনেক বেশি। কোন কোন ফল সুযোগ পেলেই খাবেন? রইল তালিকা।

আপনার বাড়ির পাশের গাছেই ধরে এই ফলগুলি, অনেকেই জানেন না এগুলির দারুণ গুণ
আপনার বাড়ির পাশের গাছেই ধরে এই ফলগুলি, অনেকেই জানেন না এগুলির দারুণ গুণ

বাতাবি: পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া কেরালা, কর্নাটকের কয়েকটি জায়গায় এই ফলটি পাওয়া যায়। প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভর্তি এই ফলটি বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না শরীরে।

কামরাঙা: এতে প্রচুর ভিটমিন সি রয়েছে। এটি লিভারের নানা সমস্যা আটকাতে পারে। তাছাড়া কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

বেল: পেটের নানা সমস্যায় ভুগছেন? একটু করে বেল খেলেই সেই সমস্যার অনেকটা কমে যেতে পারে। নানা ধরনের সংক্রমণ আটকাতে পারে এই ফলটি।

চালতা: পশ্চিমবঙ্গ, অসম, মেঘালয়ে এই ফলটি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, হৃদরোগের আশঙ্কা কমানোর মতো নানা উপকার করতে পারে এই ফল। রোজ দুপুরের খাবারের সঙ্গে এই ফল খেতে পারলে রক্তচাপের সমস্যা অনেকটাই কমে যেতে পারে।

সোহ ফিয়ে: মূলত মেঘালয়ে এই ফলটি পাওয়া যায়। এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মধ্যে এই ফলের ফলন হয়। এটি পেটের নানা সমস্যা কমিয়ে দিতে পারে। ব্যাকটিরিয়াজাত সংক্রমণ ঠেকিয়ে রাখতে পারে।

জাপানি ফল: হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, জম্মু, কাশ্মীরে এই ফল পাওয়া যায়। এটিও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি নানা ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধ করতে ব্যাপকভাবে সাহায্য করে।

মাংগুস্তান: খুব বেশি পাওয়া না গেলেও, ভারতে এই ফলটির ফলন হয়। এটি নানা ধরনের ভিটামিনে ভর্তি। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে দারুণ কাজে লাগে এটি।

খিরনি: গরমে ভারতের নানা জায়গায় এটির ফলন হয়। এটি এক ধরনের বেরি। জন্ডিসের মতো সমস্যা ঠেকাতে দারুণ কাজে লাগে এটি।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More