মশলা গুঁড়ো করার সময় কেন মেশানো হয় চালের দানা? জেনে নিন
বাড়িতে শুকনো মশলা গুঁড়ো করার সময় অনেকেই তাতে কিছু চালের দানা মিশিয়ে দেন। এটি পুরনো আমলের একটি প্রচলিত পদ্ধতি, কিন্তু এর পেছনে রয়েছে একাধিক উপকারিতা। জেনে নিন এই পদ্ধতির বৈজ্ঞানিক কারণ।
পুরনো আমলের বেশিরভাগ ঘরোয়া টোটকাই দারুণ কার্যকরী। সেকালে মানুষ তাদের অভিজ্ঞতা থেকে নানা রকম উপায় বের করতেন, যার বেশিরভাগের পেছনেই থাকত বৈজ্ঞানিক ভিত্তি। তখন বেশিরভাগ মশলাই বাড়িতে গুঁড়ো করা হত এবং তা করার সময় অল্প পরিমাণে কাঁচা চাল মেশানো হত। আজকাল মশলা গ্রাইন্ডারে গুঁড়ো করা হলেও, অনেকে এখনও এই পদ্ধতি অনুসরণ করেন। আপনি যদি এই কাজটি না করেন, তবে এর পেছনের বিজ্ঞান জেনে আপনিও শুরু করতে পারেন।

কেন মেশানো হয় চাল?
বাজারে যে মশলা পাওয়া যায়, তাতে অনেক ভেজাল থাকে। তাই বাড়িতে মশলা গুঁড়ো করাই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। আপনি যদি বাড়িতে মশলা গুঁড়ো করেন, তবে খেয়াল করেছেন যে এতে দলা পাকিয়ে যায়। এই সমস্যা এড়ানোর জন্যই এতে চালের দানা মেশানো হয়। মশলা গুঁড়ো করার সময় কিছুটা আর্দ্রতা বের হয়। আপনি লক্ষ্য করেছেন যে মশলা গুঁড়ো করার সময় জার গরম হয়ে যায়। কাঁচা চাল সেই আর্দ্রতা শোষণ করে নেয়। আপনি যদি মশলা গুঁড়ো করার সময় এতে চাল মিশিয়ে দেন, তবে মশলা জারে লেগে থাকে না এবং দলাও পাকায় না।
এর উপকারিতা কী?
চাল মেশানোর ফলে মশলা গুঁড়ো করার সময় তাপ উৎপন্ন হয় না, ফলে মশলা পুড়ে কালোও হয় না। চালের কারণে মশলার সুগন্ধও কমে যায় না। আপনি যদি লাল লঙ্কা, ধনে বা গরম মশলায় এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করেন, তবে মশলা একদম মিহি গুঁড়ো হবে এবং টাটকাও থাকবে। আর্দ্রতার কারণেই মশলায় ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। চাল আর্দ্রতা শুষে নেয়, ফলে ছত্রাকও ধরে না।
কখন চাল মেশানো উচিত নয়?
যদি গরম মশলা তৈরি করেন, তবে বেশি চাল মেশাবেন না। চাল শুধুমাত্র শুকনো মশলায় মেশাবেন, ভেজা মশলায় নয়। যদি আপনি মশলা এয়ারটাইট কন্টেইনারে ভরে ফ্রিজে রাখতে চান, তবে খুব অল্প পরিমাণে চাল মেশাবেন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


