Rohu Fish Health Benefits: রুই মাছ খেলে কি সত্যিই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমে? কী বলছে বিজ্ঞান

Rohu Fish and Heart Health: রুই মাছ খেলে নাকি হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমে। কথাটা কি সত্যি? কী বলছে বিজ্ঞান? জেনে নিন এখানে।

Published on: Feb 6, 2026, 11:03:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রুই একটি অতিপরিচিত মাছ। বাঙালি বহু বাড়িতেই নিয়মিত এই মাছ রান্না হয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে পারে এই মাছে থাকা কিছু উপাদান। পাশাপাশি এই মাছে ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকায় যাঁদের অতিরিক্ত মেদ রয়েছে, তাঁরা নিয়মিত এই মাছ খেতে পারেন।

রুই মাছ খেলে কি সত্যিই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমে? কী বলছে বিজ্ঞান
রুই মাছ খেলে কি সত্যিই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমে? কী বলছে বিজ্ঞান

আমেরিকার স্কুল অব নিউট্রিশনের জার্নাল অনুযায়ী, এই মাছ উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায় এবং উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তা কমাতেও সাহায্য করে।

কী কী আছে এই মাছে? ভিটামিন এ, ডি, ই রয়েছে রুই মাছে। এছাড়াও ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন ও খনিজে ভরপুর এই মাছ। রুই মাছে কোলিন নামের একটি পদার্থ থাকে। স্নায়ুতন্ত্র, ফ্যাটের বিপাক ক্রিয়া এবং পরিবহণে সাহায্য করে এই উপাদানটি।

এবার প্রশ্ন হল, সত্যিই কি এই মাছ হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমায়? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে ওমেগা থ্রি থাকায়, তা রক্তের অণুচক্রিকাকে জমাট বাঁধতে দেয় না, ফলে রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা কমে।

এছাড়াও রুই মাছের তেলে আছে ওমেগা থ্রি নামক ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি রক্তের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল এলডিএল ও ভিএলডিএল কমায় এবং উপকারী কোলেস্টেরল এইচডিএলের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, ফলে হার্টে চর্বি জমতে পারে না। তাই এই মাছ খেলে যে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কিছুটা কমতে পারে, তা বলাই যায়।

কতটা খেতে পারেন এই মাছ? ভারসাম্য রেখে খাওয়ার বিষয়ে জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, দৈনিক রুই মাছের একটা বড় টুকরাই যথেষ্ট একজন মানুষের জন্য। তার বেশি খাওয়া উচিত নয়।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More