Side effects of eating too many grapes: কারা আঙুর খাবেন না? জেনে নিন, কী কী ক্ষতি হতে পারে এর ফলে
আঙুর বেশি খেলে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারা আঙুর বেশি খাবেন না?
আঙুরে অেক ধরনের পুষ্টিগুণ রয়েছে। প্রচুর ভিটামিন, প্রচুর মিনারেল রয়েছে এতে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো থেকে শুরু করে রোদের থেকে ত্বককে বাঁচাতে সাহায্য করে এই ফলটি। কিন্তু এটির মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যেগুলি শরীরের ক্ষতিও করতে পারে। অতিরিক্ত আঙুর খাওয়া তাই মোটেই নিরাপদ নয়।

কতটা আঙুর খাওয়া নিরাপদ? কারাই বা আঙুর খাওয়ার আগে সতর্ক হবেন? দেখে নেওয়া যাক।
- আঙুর পেটে গিয়ে হজম হওয়ার সময়ে একটি বিশেষ উপাদান তৈরি হয়। একে চালু ভাষায় বলা হয় ‘গ্রেপস অ্যালকোহল’। এটি পেটের নানা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে এটি পেটখারাপ বা আন্ত্রিকের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। কারও গ্যাস, পেটব্যথা— এসব দেখা দেয় আঙুরের কারণে। যাঁদের ইতিমধ্যেই পেটের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের উচিত আঙুর এড়িয়ে চলার। প্রয়োজনে চিকিৎসকরে পরামর্শও নিতে হতে পারে তাঁদের।
- যাঁদের কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাঁদেরও বেশি মাত্রায় আঙুর খাওয়া উচিত নয়। কিডনির সমস্যার কারণে যাঁরা ওষুধ খান, তাঁরা আঙুর খেলে ওষুধের প্রভাব কমে যেতে পারে। একই ধরনের সমস্যা হতে পারে যাঁরা সুগারের ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রেও। এই সমস্যাগুলি থাকলে আঙুর এড়িয়ে চলুন।
- অন্তঃসত্ত্বাদেরও আঙুর এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ আঙুরে থাকা একটি বিশেষ যৌগ গর্ভে থাকা সন্তানের উপর প্রভাব ফেলে। ভবিষ্যতে এতে শিশুটির পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- নাক, গলা বা মুখে অ্যালার্জির সমস্যা আছে? তাহলেও এড়িয়ে চলুন আঙুর। কারণ এতে থাকা তরল প্রোটিন অনেক সময়ে এই জায়গাগুলির অ্যালার্জির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।
- আঙুর ক্যালোরিতে ঠাসা। ফলে আঙুর খেলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা এই ফলটি এড়িয়ে চলুন। এতে ওজন অনেক খানি বেড়ে যেতে পারে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


