মহানায়কের জন্ম শতবর্ষে বিশেষ কভার প্রকাশ জিপিও কলকাতায়, উপস্থিত সাবিত্রী, মাধবী, ঋতুপর্ণা, সুজয় প্রসাদ সহ বিশিষ্টরা
একশো বছর পূর্ণ করেও উত্তম কুমারের জনপ্রিয়তা আজও যেন বেড়েই চলেছে। তিনি আজও অদ্বিতীয়।
থিজম গ্রুপ এর উদ্যোগে ভারতীয় ডাক বিভাগ প্রকাশ করলেন উত্তম কুমার এর জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে বিশেষ কভার কলকাতা জিপিও-তে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থিজম গ্রুপ এর পক্ষে পার্থ সাহা, ঋতম সাহা, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, ঋজু গাঙ্গুলি, পোস্ট মাস্টার জেনারেল, সাউথ বেঙ্গল রিজিয়ন, সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় বলেন, "উত্তম বাবুকে আমি মহাপুরুষ মনে করি। উঁনি আমাদের মধ্যেই রয়েছেন। ওঁনাদের মতো শিল্পীদের মৃত্যু হয় না। আমদের চারপাশে হাওয়ায়, আমাদের মনে মিশে আছেন।" মাধবী মুখোপাধ্যায় বললেন, " মানুষ উত্তম কুমারের তুলনা হয়না। বিভিন্ন কলাকুশলীদের সাহায্য করতেন। শিল্পী সংসদ তৈরি করেন। অসাধারণ মানুষ, অসাধারণ অভিনেতা ছিলেন উত্তম বাবু।" ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত জানান তাঁর ভালোলাগা ছবি যেখানে সুযোগ হলে সেই চরিত্রে অভিনয় করতেন, এক সপ্তপদী, অন্যটা শঙখবেলা।" থিজম গ্রুপ এর পক্ষে ঋতম সাহা উপস্থিত অতিথিদের ও ভারতীয় ডাক বিভাগকে কৃতজ্ঞতা জানান এই বিশেষ কভার প্রকাশ করার জন্য। সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় অনুষ্ঠানটাকে সুন্দর ভাবে সঞ্চালনা করেন। পরিশেষে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এক কলি গান গেয়ে শোনান "কে প্রথম কাছে এসেছি"।
একশো বছর পূর্ণ করেও উত্তম কুমারের জনপ্রিয়তা আজও যেন বেড়েই চলেছে। তিনি আজও অদ্বিতীয়। একটা অভিনয়ের জীবনে নানা রকমের চরিত্রে কাজ, পাশাপাশি ছবিতে সুর দিয়েছেন, ছবি পরিচালনা করেছেন, দুস্থ শিল্পীদের সাহায্য করতে বানিয়েছেন শিল্পী সংসদ। তাই আজও ভিড়ে ঠাসা জিপিও সাক্ষী থাকলো এই বিশেষ মুহূর্তের।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


