গলায় মাছের কাঁটা আটকালে কী করবেন? কখন চিকিৎসকের কাছে যেতেই হবে
গলায় মাছের কাঁটা আটকালে দ্রুত এবং ঠান্ডা মাথায় কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়, তবে গুরুতর অবস্থায় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
মাছ বাঙালির প্রিয় খাবার হলেও, গলায় কাঁটা আটকানোর মতো অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতা অনেকেরই আছে। এমন ঘটনা ঘটলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তোলে। গলায় মাছের কাঁটা আটকালে দ্রুত এবং ঠান্ডা মাথায় কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়, তবে গুরুতর অবস্থায় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

১. আতঙ্কিত হবেন না
গলায় কাঁটা আটকালে প্রথমেই আতঙ্কিত হওয়া চলবে না। ভয় পেলে পেশি সংকুচিত হতে পারে, যা কাঁটা বের হওয়া আরও কঠিন করে তোলে। প্রথমে কাশি দিয়ে হালকা করে কাঁটা বের করার চেষ্টা করুন।
২. ঘরোয়া প্রতিকার: সহজ এবং পরিচিত পদ্ধতি
কাঁটা গলার উপরের অংশে আটকালে এই পদ্ধতিগুলি কাজে আসতে পারে:
- ভাত বা চিঁড়ে: এক মুঠো নরম ভাত বা চিঁড়ে দলা করে, না চিবিয়ে গিলে নিন। ভাতের দলা কাঁটাকে মোলায়েমভাবে পেঁচিয়ে নিচে নামিয়ে দিতে সাহায্য করে। এটি খুবই প্রচলিত একটি পদ্ধতি।
- কলা: এক টুকরো কলা চিবিয়ে তা ধীরে ধীরে গিলে নিন। কলার ঘন এবং পিচ্ছিল ভাব কাঁটাকে ঠেলে নামিয়ে দিতে পারে।
- জল পান: একটু উষ্ণ জল পান করা ভালো। এটি কাঁটাকে পিচ্ছিল করে পেটের দিকে যেতে সাহায্য করে। তবে একসঙ্গে অনেক জল খাবেন না, তাতে অস্বস্তি বাড়তে পারে।
- অলিভ অয়েল: এক চামচ অলিভ অয়েল পান করলে সেটি গলার ভেতরের অংশকে পিচ্ছিল করে দেয়, যার ফলে কাঁটা সহজে নিচে নেমে যায়।
৩. টক বা ভিনিগারযুক্ত জল
গলায় কাঁটা আটকালে হালকা উষ্ণ জলের সঙ্গে সামান্য ভিনিগার বা লেবুর রস মিশিয়ে পান করতে পারেন। অ্যাসিডিক উপাদান কাঁটার শক্ত অংশকে কিছুটা নরম করতে সাহায্য করতে পারে, যদিও এটি খুব তাৎক্ষণিক ফল দেয় না।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন? (জরুরি সতর্কতা)
যদি কাঁটা গলার গভীরে বা এমন স্থানে আটকে যায় যেখানে সহজে বের হচ্ছে না, বা যদি তীব্র ব্যথা, রক্তপাত বা শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়, তবে দেরি না করে অবশ্যই ইএনটি (ENT) বিশেষজ্ঞের কাছে যান। মারাত্মক ক্ষেত্রে, কাঁটা বের করতে এন্ডোস্কোপির প্রয়োজন হতে পারে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


