Summer Health Tips: তাপমাত্রার সঙ্গে রোদের তেজ বাড়ছে তেড়ে! গরমে সুস্থ থাকার কিছু টিপস দেখে নিন
Summer Health Tips: আবহাওয়া দফতর বলছে, ঘূর্ণিঝড় অশনি আসার আগেই রাজ্যজুড়ে তাপমাত্রায় খানিক বৃদ্ধি দেখা যাবে। এদিকে, দোলের সপ্তাহে গরমের তেজের মাঝেই রয়েছে রোদের দাপট। এমন পরিস্থিতিতে তাপজনিত শারীরিক অসুস্থতা থেকে বাঁচতে কিছু টিপস।
Summer Health Tips: চড়তে শুরু করে দিয়েছে পারদ। ইতিমধ্যেই গরম তেজ জানান দিচ্ছে। আর কয়েকদিন বাদে প্রবল গরমের হলকার রেশ বাংলার পথে ঘাটে ছড়িয়ে পড়তে থাকবে। চৈত্রের শেষবেলা ও বৈশাখের প্রথমার্ধে বাংলায় গরম কেমন থাবা বসায় , তার দিকে তাকিয়ে গোটা রাজ্য। এই পরিস্থতিতে দেখে নেওয়া যাক, এবার গরম কুপোকাত করার আগে গরমকে কীভাবে কুপোকাত করা যায়? তাপমাত্রার প্রবল বৃদ্ধির জেরে গরম লেগে ক্লান্তি দেখা দিতে পারে শরীরে। গরমের ফলে কোন কোন উপসর্গ শরীরে দানা বাঁধে তা দেখে নেওয়া যাক।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বহু সময়ে গরমের জেরে শরীরে বমিভাব, মানসিক অবসাদ দেখা দেয়। এছাড়াও ঘাম হওয়ার ধরনেও আসে পরিবর্তন। এগুলি বাদ দিলে শরীরে অনেক সময় শ্বাস নিতে কষ্ট, মাথার যন্ত্রণার মতো সমস্যা দেখা যায়। তবে তাপজনিত শারীরিক সমস্যা থেকে খুব বিরলভাবেই কোনও রোগ দেখা যায়। তবে এই তাপমাত্রার বৃদ্ধির ফলে হিট স্ট্রোকের মতো সমস্যা দেখা যায়। সঙ্গে পেশী ও কিডনির সমস্যাও দানা বাঁধে।
যদি শরীরে তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত সমস্যা বাড়তে থাকে, তাহলে কয়েকটি উপায়ে তা কমিয়ে ফেলা যায়। দেখে নেওয়া যাক, সেই সমস্ত দিককে।
- ছাতা, সান গ্লাস, টুপি ছাড়া বাড়ি থেকে বের হবেন না।
- রোদের তেজ বাড়লে খুব প্রয়োজন ছাড়া বের হবেন না।
-রাস্তায় থাকলেও ছায়া ঘেরা এলাকা, বা ঠান্ডা জায়গার দিকে থাকা ভাল।
-তাপমাত্রা না কমা পর্যন্ত বয়স্ক বা শিশুদের বাইরে না থাকা ভাল।
-হালকা সুতির পোশাক খুবই কার্যকরী।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


