ভুল পদ্ধতিতে চা পান করলে পচে যেতে পারে অন্ত্র! আপনি এই নিয়মটা জানেন কি
ভারতে চা একটি আবেগের মতো, যা প্রতিটি বিশেষ মুহূর্তে অপরিহার্য। সকালের শুরু থেকে সন্ধ্যার ক্লান্তি দূর করতে চা সকলের সঙ্গী। কিন্তু অতিরিক্ত চা পান করা পেটের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন কোকিলাবেন হাসপাতালের এক চিকিৎসক।
ভারতে ছোট-বড় যেকোনো অনুষ্ঠানেই চায়ের আবদার থাকে। সকালের শুরু থেকে শুরু করে সন্ধ্যার ক্লান্তি দূর করতে চা-ই একমাত্র ভরসা। অনেকে বেশি দুধ দেওয়া চা পছন্দ করেন, আবার কেউ কেউ কড়া লিকারের চা। কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট এবং হেপাটোলজিস্ট ডঃ দীপক ভাঙলে অতিরিক্ত চা পানকারীদের সতর্ক করেছেন। তাঁর মতে, অতিরিক্ত চা পান করা তো ক্ষতিকরই, কিন্তু যদি ভুল উপায়ে চা পান করা হয়, তবে তা পেটের জন্য একেবারেই ভালো নয়।

কীভাবে পান করবেন?
ডাক্তার দীপকের মতে, বেশিরভাগ মানুষ সকালে উঠেই খালি পেটে চা পান করেন, এবং সেটাও একেবারে কড়া করে। চায়ের সাথে বিস্কুট, নোনতা বা মঠরি খেয়ে নেন। চা পানের এই পদ্ধতি আপনার লিভারকে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং এটি অন্ত্রের জন্যও ক্ষতিকর। আসলে, চায়ে ট্যানিন নামক একটি উপাদান থাকে, যা শরীরে মিশে যায়। আপনি যদি খুব কড়া চা পান করেন, তবে এটি পেটে অ্যাসিডিটি এবং বুকে জ্বালার কারণ হতে পারে। চা এবং স্ন্যাকস চায়ের সাথে মশলাদার, ভাজাভুজি বা নোনতা স্ন্যাকস খেলে তা পেটের আস্তরণকে দুর্বল করে দেয়। এর ফলে পেটে অ্যাসিড বেশি তৈরি হয় এবং খাবার হজম হতে দেরি হয়। এর কারণে আপনার পেটে ব্যথা, বদহজম এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
কীভাবে চা পান করা উচিত?
ডাক্তার ভাঙলে বলেছেন যে চা পান করা কিছুটা কমাতে পারলে সবচেয়ে ভালো। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে কখনও খালি পেটে চা পান করবেন না এবং হালকা জলখাবারের সাথে পান করুন। জলখাবারে কিছু স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নিন। সকালে প্রথমে হালকা গরম জল পান করে তারপর চা পান করতে পারেন। হার্বাল বা আদা চা পান করুন এবং তাতে চিনি কম দিন। সাদা চিনি অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া নষ্ট করে দেয়।
এই প্রতিবেদনটি সাধারণ তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। যেকোনো বিশেষ তথ্যের জন্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


