রোজ বেদানা খাচ্ছেন? কী কী হচ্ছে এর ফলে
বেদানা খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। কিন্তু এটি শরীরে কেমন ধরনের প্রভাব ফেলে সেটি জানেন কি?
বেদানা অতি পরিচিত ফল। রক্তল্পতা বা অ্যানিমিয়ার মতো সমস্যা হলে চিকিৎসকরা এই ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু জানেন কি এই ফল শরীরের উপর কেমন প্রভাব ফেলে?

নিয়মিত বেদানা খেলে কী হয়? রইল তালিকা:
১। অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট: এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। রেড ওয়াইন এবং গ্রিন টি-র চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি। ফলে এই ফলের রস বাড়তি ওজন ঝরাতে এবং শরীরকে দূষিত পদার্থ মুক্ত করতে সাহায্য করে।
২। ভিটামিন সি: শরীরের দৈনিক ভিটামিন সি-র চাহিদার ৪০ শতাংশই রয়েছে একটি বেদানায়। তবে এই রস দীর্ঘক্ষণ বাদে খেলে সেটি নষ্ট হয়ে যায়। বেদানার খোসা ছাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই দানাগুলি বা রস খেয়ে ফেলুন।
৩। ক্যানসার প্রতিরোধ: এই ফলের বেশ কিছু উপাদান ক্যানসার প্রতিরোধ করতে মারাত্মক সাহায্য করে। বিশেষ করে প্রস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধ করতে দারুণ কার্যকর এটি।
৪। হজমের সুবিধা: যাঁরা বদহজমের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্য এই ফলের রস দারুণ কাজের।
৫। অ্যালজাইমার প্রতিরোধ: ক্যানসারের মতোই অ্যালজাইমার রোগটি আটকাতে পারে এ কিছু উপাদান। ফলে বৃদ্ধ বয়সে নিয়মিত বেদানার রস দারুণ উপকারী।
৬। বাতের ব্যথা কমে: শীতে বাতের ব্যথা বেড়েছে? রোজ একটি করে বেদানা খান। ব্যথা অনেকটাই কমে যেতে পারে।
৭। হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমে: বেদানার রস রক্ত চলাচলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। কমায় রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা। তাতেই কমে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা।
৮। স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা: শিশুদের এই ফলের রসটি খাওয়ালে, তাদের মনে রাখার ক্ষমতা বাড়ে। বেশি বয়সে যাঁদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হতে থাকে, তাঁদের জন্যও এটি খুব কাজের।
৯। ডায়াবিটিসের সমস্যা কমে: যাঁদের রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি, তাঁরা এই ফলের রস নিয়মিত খেতে পারেন। তাতে কমতে পারে ডায়াবিটিসে সমস্যা।
১০। যৌনক্ষমতা বাড়ে: এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন শরীরকে চাঙ্গা করে। যাঁদের যৌনচাহিদা কম বা ক্ষমতা কম, তাঁদের সেই সমস্যা কমিয়ে দিতে পারে এই ফলে রস। যাঁরা খেলাধুলো করেন, তাঁদের জন্যও এটি খুব কাজের।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


