Air Purifying Plants: ঘরের ভিতর এই গাছগুলি রাখুন, ফুসফুসের অনেক উপকার হবে

বাড়ছে দূষণ। ঘরের মধ্যেও মানুষ নিরাপদ নয়। কিন্তু ঘরের ভিতরে এই গাছগুলি রাখলে কমতে পারে দূষণের মাত্রা।

Published on: Jan 30, 2026, 12:56:15 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অরণ্যের পরিমাণ বিপুলভাবে কমছে। গাছ কেটে ফেলার জন্য পৃথিবীর ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এই রকম অবস্থায় দূষণের মাত্রা তীব্রভাবে বাড়ছে। ঘরের ভিতরেও সেই দূষণ থেকে মুক্তি নেই।

ঘরের ভিতর এই গাছগুলি রাখুন, ফুসফুসের অনেক উপকার হবে
ঘরের ভিতর এই গাছগুলি রাখুন, ফুসফুসের অনেক উপকার হবে

এই অবস্থায় কী করতে পারি আমরা? নিজেদের ঘরের ভিতরেই খুঁজে নিতে পারি সমাধানের রাস্তা। ঘরে এমন কয়েকটি গাছ এনে রাখতেই পারি, যেগুলি দূষণের মাত্রা কমিয়ে দেবে।

খুব পরিচিত না হলেও, আমাদের আশপাশে এমন অনেক গাছ আছে, যা ঘরের পরিবেশকে দূষনমুক্ত করে তোলে। গাছের দোকান থেকে বা পরিচিত কারও থেকে সেই সব গাছ এনে ঘরে রাখলে কমে যেতে পারে ঘরের ভিতরের দূষণের মাত্রা। তাতে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে ফুসফুস।

জেনে নিন, এমন কোন কোন গাছ ঘরের বাতাসকে শুদ্ধ করতে পারে।

  • তুলসী: তুলসী গাছ অত্যন্ত উপকারি। তুলসী পাতার গুণ তো অনেকেই জানেন। কিন্তু তুলসী গাছ যে ঘরের বাতাসকে পরিশুদ্ধ করতে পারে, তা ক’জন জানেন! তাছাড়া বাড়িতে পোষ্য বা শিশু থাকলেও এই গাছ থেকে তারা সম্পূর্ণ নিরাপদ।
  • পিস লিলি বা স্প্যাথিফাইলাম: নামে লিলি হলেও, এটি লিলি নয়। এর রং সাদা, তাই একে পিস লিলি বলা হয়। অনেকে এটিকে স্প্যাথিফাইলাম নামেও ডাকেন। এই গাছও ঘরের বাতাসকে পরিশুদ্ধ করতে পারে। NASA-র তরফে বায়ু পরিশুদ্ধকারী গাছের একটি তালিকা প্রকাশ হয়েছিল। তার মধ্যে রয়েছে এই গাছটি। তবে বাড়িত পোষ্য থাকলে সাবধান। এই গাছের পাতা মুখে গেলে, তাদের পেটের গণ্ডগোল হতে পারে।
  • মানি প্ল্যান্ট বা পয়জন আইভি: এই গাছটি অতি পরিচিত। এর মধ্যেও এমন কিছু গুণ রয়েছে, যা ঘরের বাতাসকে পরিশুদ্ধ করে।
  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More